প্রকাশ: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩১ AM

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন ও ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম করেছে। আগামী দিনে দেশ গড়ার কাজেও ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর মহাখালী ও গুলশান-বনানীর পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করে এই দেশকে স্বাধীন করেছিলাম। যুদ্ধের ময়দানে আমরা দেখিনি কে কোন ধর্মের মানুষ। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—যারা এই দেশকে ভালোবাসেন, সবাই মিলে দেশকে স্বাধীন করেছেন।’
তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও ধর্মীয় পরিচয় বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। দেশ গড়ার সংগ্রামেও নাগরিক পরিচয়কে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় পরিচয়, আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ।’ সব ধর্ম ও পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে আগামী হাজার বছরও যেন সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি মহাখালী রক্ষাকালী মন্দির ও বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, পূজারি ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি