প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম

নোয়াখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র শহিদুল্লাহ খান সোহেলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি কর্মী মাসুদ। একই সঙ্গে সোহেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা পরিবহন প্রতিষ্ঠান ‘সারা এক্সপ্রেস’-এর কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবেক মেয়র ও প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এক বক্তব্যে মাসুদ অভিযোগ করেন, নোয়াখালী পৌরসভায় দায়িত্ব পালনকালে দীর্ঘ ১৭ বছরে শহিদুল্লাহ খান সোহেল বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। ‘সারা এক্সপ্রেস’-এর প্রকৃত মালিক সাবেক মেয়র এবং তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
মাসুদের আরও অভিযোগ, গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগের আগে সাবেক মেয়র বিভিন্ন খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ রেখে যান। বর্তমানে বিভিন্ন মাধ্যমে সেই অর্থ বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। এ কাজে স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী সহযোগিতা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব দাবির পক্ষে বক্তব্যটিতে কী ধরনের প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মাসুদ বলেন, কথিত স্বৈরাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
এদিকে, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও উন্নত সেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিচালিত ‘সারা এক্সপ্রেস’-এর বাস নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন যাত্রীরা। তাঁদের অভিযোগ, পুরোনো বাসে রং পরিবর্তন করে নতুন বাস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া কুমিল্লায় যাত্রাবিরতির সময় প্রতিষ্ঠানটির ফুড ভ্যালি রেস্তোরাঁয় নিম্নমানের খাবার পরিবেশন ও অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগ করেছেন কয়েকজন যাত্রী।
সাবেক মেয়র শহিদুল্লাহ খান সোহেল পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে ‘সারা এক্সপ্রেস’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকবর হোসেন জাবেদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি