প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম

কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতনের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন জেলা আইনজীবীরা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে কিশোরগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলে জেলা আইনজীবী সমিতির প্রায় দুই শতাধিক সদস্য অংশ নেন।
বিক্ষোভ মিছিলটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবাদ সমাবেশ।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মীর সাখাওয়াত হোসেন, জেসমিন সুলতানা কবিতা, লিটন এলাহী, শওকত কবীর খোকন ও আবদুল্লাহ আল বুখারী।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ইটনা উপজেলার বড়িবাড়ী ইউনিয়নের পাঁচকাহনিয়া (ভূগলী) জলমহাল দখল এবং ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মতো ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ অভিযোগ তুলে সিনিয়র আইনজীবী আমিনুল ইসলাম রতনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তাঁদের দাবি, গত ২৭ সেপ্টেম্বর মানববন্ধনের নামে তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবীরা বলেন, একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তাঁরা অবিলম্বে এ ধরনের ‘ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড’ বন্ধের দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ না হলে সাধারণ আইনজীবীদের নিয়ে আইনি পদক্ষেপসহ কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
যে অভিযোগ উঠেছিল
উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর জলমহালের ইজারাগ্রহীতা মো. ফরহাদ একটি মানববন্ধনে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, জলমহালের ইজারা পাওয়ার পর অ্যাডভোকেট রতন তাঁকে ফোন করে ৫০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে জলমহাল থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ফরহাদ।
তবে বৃহস্পতিবারের প্রতিবাদ সমাবেশে আইনজীবীরা এসব অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতনের বক্তব্য জানা যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ