প্রকাশ: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৩ পিএম

ঘটনার স্থান ও উদ্ধার: গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ভবানীপুর ব্রিজ এলাকার জলাশয় থেকে একটি স্যুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ও গ্রেপ্তারকৃতরা: নিহত ডলি আক্তার (৩০) ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার বাসিন্দা এবং একটি কারখানার সুইং অপারেটর ছিলেন। এ ঘটনায় তার প্রেমিক মিশন ইসলাম (২২), মিশনের মা বানু আক্তার (৪৩) এবং সহযোগী মিজানুর রহমান মিল্টনকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ: দীর্ঘ পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্ক এবং বিয়ে সংক্রান্ত পূর্বের বিভিন্ন বিরোধ ও ক্ষোভের জেরে ডলিকে হত্যার পরিকল্পনা করে মিশন ইসলাম।
হত্যার নির্মম বিবরণ: গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে মিশনের ভাড়া বাসায় ডলিকে ঘুমের ও অ্যালার্জির ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়। পরবর্তীতে রাত ২টার দিকে লুঙ্গি গলায় পেঁচিয়ে এবং বালিশচাপা দিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
লাশ গুমের ভয়াবহতা: পরদিন সকালে মিশনের মা বানু আক্তার চৌকির নিচে লাশ দেখতে পান। এরপর পরিচয় গোপন ও লাশ গুম করতে বঁটি, দা ও ব্লেড দিয়ে মরদেহ কোমর থেকে দুই খণ্ড করা হয়। এক অংশ স্যুটকেসে এবং অন্য অংশ প্লাস্টিকের বস্তায় ভরানো হয়।
লাশ ফেলে দেওয়া ও আলামত উদ্ধার: সহযোগী মিল্টনের সহায়তায় অটোরিকশায় করে সুটকেস ও বস্তাটি খালের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পিবিআই অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি, দা, নিহতের এনআইডি, মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করে। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি