ঢাকা উত্তর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসানকে স্মরণে কবর জিয়ারত করলেন ড. এম এ কাইয়ুম

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মরহুম আহসান উল্লাহ হাসানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ঢাকা-১১ আসনের গণমানুষের নেতা ড. এম এ কাইয়ুম।
আজ (বুধবার) ১০ ই জুন অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে ড. এম এ কাইয়ুম মরহুম আহসান উল্লাহ হাসানের রাজনৈতিক জীবন, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বিএনপির জন্য তাঁর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ ও কবর জিয়ারত করেন । এ সময় তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
কবর জিয়ারত শেষে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, আহসান উল্লাহ হাসান ছিলেন আমার একজন বিশ্বস্ত, সাহসী ও নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধা। আমরা দীর্ঘদিন একসঙ্গে রাজনীতি করেছি। বিশেষ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মেয়র মরহুম সাদেক হোসেন খোকার নেতৃত্বে ঢাকা মহানগরীর রাজনীতিতে আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছি।
তিনি বলেন, যখন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন আমি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং আহসান উল্লাহ হাসান প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। সংগঠনকে সুসংগঠিত করা, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলের কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ড. এম এ কাইয়ুম আরও বলেন, বিএনপির কঠিন ও প্রতিকূল সময়ে আহসান উল্লাহ হাসান নিষ্ঠা, সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সবসময় দলের নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন এবং সংগঠনের স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন। তাঁর মতো ত্যাগী নেতার অবদান বিএনপির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি উল্লেখ করেন, আহসান উল্লাহ হাসানের পরিবারের সদস্যরাও দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাদের রাজনৈতিক অবদান ও ত্যাগ যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ঢাকা-১১ আসনের মাটি ও গণমানুষের নেতা ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, আহসান উল্লাহ হাসান শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন এলাকার মানুষের আস্থার প্রতীক। দীর্ঘদিন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। এলাকার উন্নয়ন, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং জনসেবামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, মরহুম আহসান উল্লাহ হাসানের আদর্শ, নিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক সংগ্রাম নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি, তিনি যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন।