
সংগৃহীত ছবি
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পর্তুগাল হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে। নাটকীয় এই ম্যাচে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। অন্যদিকে ‘ডি’ গ্রুপে ইউক্রেনকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স।
আয়ারল্যান্ড ২-০ পর্তুগাল
ডাবলিনে পর্তুগালকে হারিয়ে ২০০৫ সালের পর আবারও ইতিহাস গড়ল আয়ারল্যান্ড। বল দখল এবং আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও গোল পায়নি পর্তুগাল। উল্টো প্রথমার্ধেই দুই গোল হজম করে তারা।
১৭ মিনিটে কর্নার থেকে আয়ারল্যান্ডকে এগিয়ে নেন ট্রয় প্যারট। বিরতির ঠিক আগে দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় দ্বিতীয় গোলটিও করেন এই ফরোয়ার্ড।
৬১তম মিনিটে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে কনুই দিয়ে আঘাত করায় প্রথমে হলুদ কার্ড পান রোনালদো। পরে ভিএআর চেক করে সেটি লাল কার্ডে রূপান্তর করেন রেফারি। এটি রোনালদোর ক্যারিয়ারের ১৩তম লাল কার্ড।
১০ জন নিয়ে বাকি সময় খেলেও পরিস্থিতি বদলাতে পারেনি পর্তুগাল। তবু তারা ‘এফ’ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে।
ফ্রান্স ৪-০ ইউক্রেন
ড্র করলেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত, এমন সমীকরণ নিয়ে মাঠে নেমেছিল ফ্রান্স। কিন্তু তারা আরও বড় জয় নিশ্চিত করে টিকিট পাকা করেছে।
প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করলেও দ্বিতীয়ার্ধে গোল উৎসবে মেতে ওঠে ফ্রান্স।
৫৫ মিনিট: পেনাল্টি থেকে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
৭৬ মিনিট: অলিসে ব্যবধান বাড়ান।
৮৩ মিনিট: নিজের দ্বিতীয় গোল করে এমবাপ্পে জয়ের পথ আরও সুগম করেন।
৮৮ মিনিট: বদলি হিসেবে নামা একিটিকে শেষ গোলটি করেন।
ফ্রান্সের হয়ে ৯৪ ম্যাচে এমবাপ্পের গোল এখন ৫৫টি, জিরুদের সর্বোচ্চ ৫৭ গোলের রেকর্ড ভাঙতে বাকি মাত্র দু’টি।
মলদোভা ০-২ ইতালি
মলদোভাকে হারিয়ে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার আশা টিকিয়ে রেখেছে ইতালি। মানচিনি এবং এসপোসিতোর করা গোল দুইটি তাদের জয়ে ভূমিকা রাখে। তবে হয়তো প্লে-অফ খেলেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত করতে হবে আজ্জুরিদের।
এদিকে নরওয়ে ৪-১ গোলে এস্তনিয়াকে হারিয়ে টিকিট প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে।
ইংল্যান্ড ২-০ সার্বিয়া
জয় পেয়েছে ইংল্যান্ডও। সাত ম্যাচে সাত জয়, ২০ গোল; একটিও হজম করেনি টুখেলের দল। সার্বিয়ার বিপক্ষে গোল করেন সাকা ও এজে।