| শিরোনাম: |

হাইকোর্টের সামনে ড্রাম থেকে উদ্ধার হওয়া খণ্ডিত মরদেহটি রংপুরের বদরগঞ্জের মো. আশরাফুল হকের (৪২) বলে শনাক্ত করেছে পুলিশ। জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের কাছে রাখা নীল রঙের দুটি ড্রাম থেকে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উদ্ধার করা হয় তার ২৬ টুকরা দেহাবশেষ। প্রথমে পরিচয় মিললেও পরে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিশ্চিত করে মরদেহটি আশরাফুলের।
নিহতের বাড়ি বদরগঞ্জের গোপালপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে। সেখানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও গ্রামজুড়ে। পরিবারের সদস্যরা জানান, আশরাফুল পেঁয়াজ ও আলু আমদানির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে তিনি তার বন্ধু ওয়ারেসের সঙ্গে ঢাকায় যান। পরদিন রাত ৯টা পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে তার কথা হলেও এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
আশরাফুলের স্ত্রী লাকী বেগম সময় সংবাদকে বলেন, ওয়ারেসের সঙ্গে ঢাকায় যাওয়ার পরই স্বামীকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার শ্যালক রেজাওনুল ইসলামও সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, ওয়ারেস টাকার কথা বলে আশরাফুলকে ঢাকায় নিয়ে আসে। পরে ফোনে একেকজনকে একেক রকম কথা বলে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই ফোন বন্ধ করে দেয়। তাই হত্যাকাণ্ডে ওয়ারেসের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে তাদের সন্দেহ।
এ বিষয়ে বদরগঞ্জ থানার ওসি নুরুল আমিন সরকার জানান, আশরাফুল নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার তার পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। পরে ড্রাম থেকে মরদেহ উদ্ধারের খবর আসে। দুই দিন আগে ঢাকায় গিয়ে তিনি নিখোঁজ হন। নিহত আশরাফুলের স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ