প্রকাশ: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ২:৩৫ AM

সংগৃহীত ছবি
জাহানারা আলমের বিষয়টি নিয়ে উত্তাল ক্রিকেটপাড়া। গত পরশু (০৬ নভেম্বর) জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সাবেক নির্বাচক ও টিম ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু এবং প্রয়াত সাবেক ইনচার্জ তাওহীদ মাহমুদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন সাবেক এই অধিনায়ক।
জাহানারা যৌন হয়রানির অভিযোগ এনেছিলেন ক্রীড়া সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিমকে দেওয়া ইউটিউব সাক্ষাৎকারে। তার দাবি, বিসিবির কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি। সেই ইস্যুতে পরবর্তীতে মুখ খুলেছে আরও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে বর্তমানে জাতীয় দলে খেলা বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধেও। তাতে অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে বিসিবি।
শনিবার (০৮ নভেম্বর) জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের কয়েকজন সদস্যকে ঘিরে ওঠা আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্তে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে বিসিবি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে দেশের ক্রিকেটের এই অভিভাবক সংস্থা।
এই তিন সদস্যের অনুসন্ধান কমিটির কনভেনর হিসেবে আছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি তারিক উল হাকিম। আর সদস্য হিসেবে আছেন বিসিবির পরিচালক রুবাবা দৌলা ও বাংলাদেশ নারী ক্রীড়া সমিতির সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা।
যৌন হয়রানি ইস্যুতে সরব হয়েছেন জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। জাতীয় দলের তিন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও মুশফিকুর রহিম কথা বলেছেন। জাহানারার অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের যথাযথ শাস্তি দাবি করেছেন তারা।
অভিযুক্ত মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু এ বিষয়ে নিজের বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “অভিযোগের পর বিসিবি জানিয়েছে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে, যা ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। এটি নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। বিসিবি ছাড়াও যদি রাষ্ট্রীয় কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, আমি সেগুলোর মুখোমুখি হবো এবং আমার বক্তব্য উপস্থাপন করব। এর আগে আমি এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার থেকে বিরত ছিলাম।”
স্বদেশ প্রতিদিন/ নিয়াজ