আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী, দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, দেশ গড়তে তরুণদের সুশিক্ষা আবশ্যক। দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রয়োজন। আর এই তরুণদের নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আধুনিক ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়বো।
আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর ন্যাশনাল কলেজ এর ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তোমরা ভালোভাবে পড়াশুনা করবে উল্লেখ করে ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “আমাদের নবী জ্ঞান অর্জনের জন্য সুদূর চীনে পর্যন্ত যেতে বলেছেন। পড়াশুনা ছাড়া নিজেকে এবং দেশ ও জাতিকে নেতৃত্ব প্রদান করা সম্ভব হবে না। তাই তোমাদের উচিত আগামীর জন্য প্রস্তুত হওয়া। ভালো শিক্ষা অর্জনে যা প্রয়োজন আমাদের দেশের অর্থনীতিক এবং সামাজিক অবস্থার কারণে তা হয়ে উঠে না।”
বর্তমান বাংলাদেশ বৈষম্যমুক্ত উল্লেখ করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির এই সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেন, “এই দেশে স্বৈরাচারের কোনো ঠাঁই নেই। স্বৈরাচার এই দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়ে গিয়েছে। তাই দেশকে গড়ে তুলতে তোমাদের প্রস্তুত হতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে সম্ভাবনাময় আধুনিক বাংলাদেশ।”
আ. লীগের প্রসঙ্গ টেনে ড. এম এ কাইয়ুম আরো বলেন, “ক্ষমতায় টিকে থাকতে এমন কোনো অপকর্ম নেই যে শেখ হাসিনা করেনি। গুম-খুন-হত্যা-নির্যাতন সবই করেছে, তবুও সে টিকে থাকতে পারেনি। এ দেশে ব্রিটিশ কিংবা পাকিস্তানিরাও বল প্রয়োগ করে টিকে থাকতে পারেনি। দেশের মানুষ আগে থেকেই স্বাধীনচেতা, এখানে কোনো অত্যাচারীর ঠাঁই হয়নি এবং হবে না। এই দেশের মানুষ মানুষ তাদের বিশ্বস্ত গণতান্ত্রিক দল বিএনপির অপেক্ষায় আছে।”
ঢাকা ১১ আসনের মাটি ও মানুষের নেতা ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, “আপনারা জানেন যে আমরা বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা ও হাতিরঝিল (আংশিক) এলাকায় ইতোমধ্যেই আধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। এই এলাকাগুলোর স্কুল-কলেজে শিক্ষার মানোন্নয়নের চেষ্টা করছি, ইনশাআল্লাহ্। আপনারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাদের কাজ করার সুযোগকে সহজ করে দিবেন।”
নবীনবরণ অনুষ্ঠানে মো. জুলকার নায়নের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এজিএম শামসুল হক, প্রধান ব্ক্তা হিসেবে ছিলেন মো. শহীদুল আলমসহ কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।