প্রকাশ: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:০৩ পিএম

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ এবং দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দিনাজপুরের হিলি বাজারে খুচরা দরে তিন-চার দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ২০-২৫ টাকা বেড়ে প্রায় সেঞ্চুরির কাছে পৌঁছে গেছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে ৬৫ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকা কেজি দরে। আর ৬০ টাকার পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০টাকায়।
হিলি বাজারে আসা বকুল হোসেন বলেন, দুই-তিন আগেও ৬৫-৭০ টাকায় পেঁয়াজ কিনেছি। আজ এসে দেখি ৯০-১০০ টাকা চাচ্ছেন দোকানিরা। প্রতিদিনই নতুন দাম শুনতে হয়, এতে সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
রিকসা চালক ইমদাদ বলেন, বাংলাদেশে কোনো কিছুর নিয়ম নেই। খেয়াল খুশিমত জিনিসের দাম বাড়ে। আমরা গরিব মানুষ, বাজারে এলেই মাথা ঘুরে যায়। কয়েকদিন আগেও ৬০-৬৫ টাকায় পেঁয়াজ কিনেছিলাম, আজ তা ৯০-১০০ টাকা কেজি। এভাবে চলতে থাকলে আমরা কীভাবে বাঁচবো?
হিলি বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মঈনুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে মোকামে পাইকারিতে দাম বেড়ে গেছে। এখন আমরা ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে কিনে ৯০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। আজ মোকামে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা তারপর খরচ আছে আগামীকাল দেখা যাবে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি করতে হবে। এতে দাম বেশি থাকায় বিক্রিও কমে গেছে।
এদিকে, হিলি বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী ফেরদৌস রহমান বলেন, দেশের যেসব মোকামে পেঁয়াজ আসে, সেখানেই এখন সরবরাহ কম। ভারত থেকেও আমদানি অনেক কমে গেছে। এই ঘাটতির কারণে দাম বাড়ছে। নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে উঠলে দাম কমে আসবে। আর সরকার যদি ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়, তাহলে দ্রুতই বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।
বাজার কমিটির সদস্যরা বলছেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় এবং অভ্যন্তরীণ মোকাম গুলোতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/ এমএস