
ভূ-প্রকৃতিতে অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি পঞ্চগড়। আকাশচুম্বী হিমালয়-কাঞ্চনজঙ্ঘা দুই পর্বতের জাদুকরী মায়ায় সমৃদ্ধ করেছে উত্তরের ত্রি-সীমান্ত কাটাতারে বেষ্টিত হিমালয়কন্যাখ্যাত এ জেলা। বেশ কিছু সীমান্ত প্রবাহিত নদ-নদী ভূ-প্রকৃতিতে ছড়াচ্ছে সৌন্দর্যের বিলাস। বিনা পাসপোটে নদীর তীরে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর যে তৃতীয় পর্বতশৃঙ্গ, সেই নদী ঘিরেই সম্ভাবনা তৈরি করেছে পর্যটন শিল্পের। এ অঞ্চলের নানান দর্শনীয় স্থানগুলোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে প্রবাহিত জল স্রোতস্বিনী নদ-নদীগুলো।
উত্তরের পর্যটন জেলা পঞ্চগড়ে প্রবাহিত হয়েছে ছোট-বড় প্রায় অর্ধশত নদ-নদী। মহানন্দা, বেরং, করতোয়া, চাওয়াই, ভেরসা, গবরাসহ বিচিত্র নামের নদ-নদীর নামের সাথে রয়েছে বাহারি সৌন্দর্য। মহানন্দা, করতোয়া, চাওয়াই নদীগুলো সীমান্ত প্রবাহিত হওয়ায় দুই বাংলা জুড়েই নদী ঘিরে তৈরি হয়েছে সৌন্দর্যের লীলাভূমি।
নদ-নদীর সৌন্দর্য প্রকৃতি প্রেমিদের মুগ্ধ করে আসছে যুগযুগ ধরেই। নদীর বুকে জীবন-জীবিকা, কৃষি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সভ্যতার ইতিহাস বহমান আদিকাল ধরেই। এসব সৌন্দর্য ঘিরে তৈরি করেছে নদী কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা। আবার পর্যটন শিল্পকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারিভাবে জেলার মহানন্দা, করতোয়া ও চাওয়া নদীর তীরে নির্মাণ করা হয়েছে পার্ক। এসব পার্ক পরিণত হয়ে উঠেছে বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে ভিড় জমাচ্ছেন এসব বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে। আসুন দেখা যাক....
মহানন্দা নদী ও তীরবর্তী বিনোদন কেন্দ্র
ভারত-বাংলাদেশের আন্ত:সীমান্ত নদী মহানন্দা। দুই বাংলার বুকচিরে প্রবাহিত নদীটি অপরূপ সৌন্দর্যের আধার। সর্পিলাকার নদীটি উদ্ভব হয়েছে নেপালের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হিমালয় পর্বতমালা থেকে। সেখান থেকে ভারতের কার্সিয়ান ও শিলিগুড়ি অতিক্রম করে ভারতের ফুলবাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের বাংলাবান্ধা সীমান্তের সীমান্ত শূন্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ২০ কিলোমিটার বয়ে আবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে। ১৮৭৬ সালের উইলিয়াম হান্টারের জরিপ অনুযায়ী এক সময় মহানন্দা ছিল প্রশস্ত ও গভীর। চলাচল করত বড় বড় মালবাহী নৌকা। মহানন্দা নদীর পূর্ব ভাগে বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা আর পশ্চিম ভাগে ভারতের দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি ও চটেরহাট থানা। এর এক পাশে তেঁতুলিয়া অন্য পাশে ভারতের হাতিয়াগছ, ফাঁসিদেওয়া, ফুলবাড়ি ও শিলিগুড়ি।

পর্যটনে নদীটির গুরুত্ব অপরিসীম। এ নদীর তীরে দাঁড়িয়ে খুব কাছ থেকে দেখা মেলে পৃথিবীর তৃতীয় সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বরফের শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। এ কারণে মহানন্দার গুরুত্ব ভিন্নমাত্রার। নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে দাঁড়ালে দেখা মেলে উত্তরের মেঘমুক্ত আকাশে মোহনীয় সৌন্দর্যের আধার কাঞ্চনজঙ্ঘা। সেন্টমার্টিনের মতোই দেখা মেলে সূর্যাস্ত। হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকার পাথর উত্তোলন, সন্ধ্যায় পাখিদের ঘরে ফেরার মতো অপরূপ দৃশ্য। শরতের কাঁশবন দেখা মেলবে নদীর দু’পাড়ের চর জুড়ে। নদীর ওপারের জনজীবন, সমতলে চা বাগান, জেলেদের মাছ ধরা, ভাসমান টিউবে শ্রমিকদের পাথর বহন ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় উৎসবও দেখা মেলে।
নদী কেন্দ্রিক এ সৌন্দর্যগুলোকে উপভোগ করতে প্রশাসনিকভাবে নদীর তীরকে স্থাপন করা হয়েছে ওয়াকওয়ে। পুরাতন বাজারে মহানন্দা পার্ক স্থাপন পর্যটন শিল্পে নতুনমাত্রা দিয়েছে তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রশাসন। এ নদীর তীরেই তেঁতুলিয়ার একমাত্র সরকারিভাবে গড়ে তোলা পর্যটন স্পট প্রাচীন জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর পিকনিক কর্ণার। এ ডাকবাংলোর পাড়ে দাঁড়িয়েই উপভোগ করা যায় উত্তরের আকাশ ছোঁয়া হিমালয়-কাঞ্চনজঙ্ঘা, সন্ধ্যায় সারি সারি ভারতের সার্চলাইট, দার্জিলিং শহর, কার্সিয়ান পাহাড়, বাগডোগরার বিমানবন্দরের বিমান চলাচল। এর সব কিছু যেন বিহলিত করে তুলবে যে কাউকে। আর কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ পয়েন্ট হতে পারে ভেরসা ও বেরং নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট।
করতোয়ায় মীরগড় ইকোপার্কজেলা শহর থেকে ৪ কিলোমিটার পশ্চিমে ঐতিহাসিক মিরগড়ের করতোয়া নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে তোলা হয়েছে মিরগড় ইকোপার্ক। দীর্ঘদিন বেদখলে থাকা ২১ একর সরকারি খাস জমি উদ্ধারের পর সেখানে ইকো পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেন জেলা প্রশাসক সাবেত আলী। প্রায় ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা হয় এ পার্ক। পার্কটিতে রয়েছে ২০ হাজারের বেশি ফুল ও ফলের গাছ। স্থাপন করা হয়েছে কৃত্রিম লেক, পানির ফোয়ারা, হাঁটার পথ ও বসার জায়গা। পার্কটি হয়ে উঠেছে এখন শিশু, বয়ষ্কসহ সব বয়সের মানুষের বিনোদন কেন্দ্র।
পার্কটিতে রয়েছে বাঁশ-বেতের কারুকাজ, বাহারি ফুলের সারি, ফোয়ারার ঝলক আর দেশি–বিদেশি গাছগাছালির সমারোহে সজ্জিত। শিশুদের জন্য রয়েছে খেলাধুলার সুযোগ, আর প্রাপ্তবয়স্কদের কাছে এটি হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক এক মুক্ত আঙিনা, আড্ডা, ছবি তোলা আর সময় কাটানোর জন্য আদর্শ জায়গা। নামাজ ও গাড়ির পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। করতোয়ার তীরে গড়ে ওঠা জেলা প্রশাসন ইকো পার্ক হয়ে উঠেছে এক টুকরো চোখ জুড়ানো সবুজের স্বপ্ন।
পার্কটি নজর কেড়েছে দর্শনার্থীদের। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকছে পার্কটি। পার্কের দর্শনার্থীদের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের। পার্কে প্রবেশের জন্য রাখা হয়েছে ৩০ টাকার নামে মাত্র ফি। ছুটির দিনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লেগে থাকে পর্যটকদের। পার্কে ঘুরে ঘুরে সৌন্দর্য অবলোকনের পাশাপাশি নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করছেন তারা। করতোয়া নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে তোলা গড়ে তোলা পার্কটি পর্যটনে নতুনমাত্রা যুক্ত হয়েছে।
সৌন্দর্যের মোহনা ময়নামতি চরঅপরূপ ছায়াঘেরা আর মন ছুঁয়ে যাওয়ার স্থান দেবীগঞ্জের ময়নামতির চর। উপজেলা শহর হতে এক কিলোমিটার দক্ষিণে এর অবস্থান। এটিও করতোয়ার কোলঘেঁষে প্রায় ৩৫ একর জমি জুড়ে বনাঞ্চলে বিস্তৃত এক চর। এটি একটি জনপ্রিয় পিকনিক স্পট। বৃক্ষসাজিতে সবুজের সমারোহ আর স্নিগ্ধ বাতাসের নিরিবিলি পরিবেশঘেরা স্থানটি সহজেই আকৃষ্ট করে তুলতে পারে পর্যটকদের। এ চরের পর্যটকদের বাড়তি আকর্ষণ হতে পারে করতোয়া নদীতে রোমাঞ্চকর নৌকাভ্রমণ, চর সংলগ্ন চা বাগানে বিচরণ এবং চর থেকে একদম কাছেই ৪র্থ চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতুর অপূর্ব কাঠামো ঘুরে দেখার।
প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্যের পাশাপাশি ময়নামতি চর পর্যটনে নতুন মাত্রা তৈরি করেছে। দর্শনার্থীদের জন্য ময়নামতি চরে বসানো হয়েছে সিমেন্টের বেঞ্চ। রোমাঞ্চকর হতে পারে করতোয়ার বুকে ডিঙ্গি নৌকা ভ্রমণ। ব্যস্ত শহরের কোলাহল থেকে মুক্তি পেতে গাছ-গাছালি ঘেরা ময়নামতি চরের মনোরোম পরিবেশটি উপভোগ করতে চলে আসতে পারেন যেকোন ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা। দেবীগঞ্জ উপজেলার চৌরাস্তা মোর হতে ময়নামতির চরে রিক্সা ও ভ্যান যোগে যাতায়াত করা যায়।
চাওয়াই তীরে মুক্তাঞ্চল পার্কসীমান্ত প্রবাহিত আরেকটি নদী চাওয়াই। এটি ভারত-বাংলাদেশের আন্ত:সীমান্ত নদী। সর্পিলাকার প্রকৃতি নদীটি পঞ্চগড়ের দশমাইল এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এ নদীটির রয়েছে স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধ ও পঞ্চগড়ের পাঁচগড়ের গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস। মুক্তিযুদ্ধের সময় ৬ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল। নদীর উপর নির্মিত অমরখানা ব্রিজ/সেতু ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দিলে দুর্গমতার কারণে পাক হানাদার বাহিনী পঞ্চগড় সদরের কিছু অংশ এবং তেঁতুলিয়ায় প্রবেশ করতে না পারায় এলাকাটি মুক্তাঞ্চল হিসেবে সারাবিশ্বে পরিচিতি লাভ করে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে অবস্থান করে রাখতে মুক্তাঞ্চলকে মুখ্য করে সাবেক পঞ্চগড় সদর ইউএনও মাসুদুল হকের পরিকল্পনায় মুক্তাঞ্চল পার্ক স্থাপন করা হয়।

পঞ্চগড়ের ৫টি গড়ের ইতিহাসকে ধারণ করে ৫টি আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন গোলঘড় নির্মাণ করে প্রতিটি গোলঘড়কে গড় সমূহের নামাঙ্কিত করা হয়েছে। পার্কে একটি মানচিত্রে মুক্তাঞ্চল ও গড়সমূহের অবস্থান চিত্রায়িত করা আছে। স্থাপন করা হয়েছে আই লাভ পঞ্চগড় স্থাপনা। স্থাপনাটি দেখে সারাদেশ থেকে আগত পর্যটকগণ পঞ্চগড়ের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের পাশাপাশি স্মৃতি ধারণ এবং মুক্তাঞ্চল-এর ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারেন। চাওয়াই নদীর কোল ঘেঁষে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নির্মিত বাধ মুক্তাঞ্চল পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। মুক্তাঞ্চল পার্কের সন্নিকটে চাওয়াই ব্রিজের অপরপাশে রয়েছে ঐতিহাসি ১৯৭১ মুক্তাঞ্চল ফলক। এছাড়াও বেরং, ভেরসা ও গবরাসহ যেসকল নদ-নদীগুলো পর্যটনে উপযোগী উদ্যোগ নিলে নদীগুলো কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে পর্যটন স্পট।
ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন পঞ্চগড়ের সভাপতি সরকার হায়দার জানান, আমাদের দেশ নদীমাতৃক দেশ। সে হিসেবে উত্তরের এ পর্যটন জেলায় প্রায় অর্ধশত নদ-নদী প্রবাহিত হয়েছে। নদীকে ঘিরে রয়েছে বাহারি সৌন্দর্য ও আলাদা সংস্কৃতি। সভ্যতা, সংস্কৃতি, কৃষি, অর্থনীতি, জীবন-জীবিকা নিহিত রয়েছে। নদ-নদীর সৌন্দর্য চিরকাল মানুষকে মুগ্ধ করেছে, কাছে টেনেছে। জেলায় প্রবাহিত মহানন্দা, করতোয়া, ভেরসা, বেরং, গবরা, চাওয়াইসহ যেসব নদীগুলো পর্যটনের গুরুত্ব রয়েছে তাতে যদি জলাভূমি কেন্দ্রিক পর্যটনশিল্প গড়ে তুলতে যথাযথ উদ্যোগ ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে নদী কেন্দ্রিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে সম্ভব হবে। আর জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই মহানন্দা, করতোয়া ও চাওয়াই নদীর তীর ঘিরে বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পার্ক নির্মাণ করায়।
তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহিন খসরু জানান, তেঁতুলিয়ার প্রাণকেন্দ্র ডাকবাংলোর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মহানন্দা নদী পর্যটন শিল্পে গুরুত্ব তৈরি করেছে। এ নদীর তীরে দাঁড়িয়ে অবলোকন করা যায় হিমালয়-কাঞ্চনজঙ্ঘা দুই পর্বতযুগল। সে অনুযায়ী প্রশাসনিকভাবে আমরা ডাকবাংলো পিকনিক কর্ণার হতে পুরাতন বাজার মহানন্দা পার্ক (কাজ চলমান) পর্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে নির্মাণ করেছি। যাতে পর্যটকরা হাটতে হাটতে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। আমাদের আরও পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ চলমান রয়েছে।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো.সাবেত আলী জানান, পঞ্চগড় একটি পর্যটন এলাকা। এর গুরুত্ব সারাদেশে সমাদৃত। জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে পর্যটন উন্নয়নে অনেকগুলো কাজ করছি। জেলা শহরের করতোয়া নদীর কোলঘেষে মীরগড়ে ইকোপার্ক, ট্যুরিস্টদের জন্য ট্যুরিস্ট গাইড নামে মোবাইল অ্যাপস, পঞ্চগড় ইতিহাস-ঐতিহ্য নিযে ডকুমেন্টারি তৈরি করেছি। পর্যটক আকর্ষণের জন্য রেলস্টেশনে ফুলের বাগানসহ সুন্দর ফোয়ারা স্থাপন, ট্যুরিস্টদের জন্য শহরকে সৌন্দর্য বর্ধনের আওতায় নিয়ে আসছি। এছাড়াও তেঁতুলিয়ায় মহানন্দা নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্টে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ১১৭ ফিট ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড নির্মাণ করেছি। এছাড়াও বোদা ও দেবীগঞ্জে পর্যটক আকর্ষণের জন্য ফোয়ারা ও বসার স্থান তৈরি করেছি। আর ভবিষ্যতে এখানে একটি প্রায় ৪০ ফিট উচ্চতার ওয়াচ টাওয়ার ও ইকোপার্কে টিওয়াচ টাওয়ার নির্মাণে পরিকল্পনা করেছি। সবমিলে এসব পর্যটন উন্নয়নে আমরা কাজ করছি। বাস্তবায়নকৃত কাজগুলো পর্যটকদের আকৃষ্ট করে বিনোদনের তৃপ্ততায় মন ভরিয়ে দিবে বলে আশা করছি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএস