প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:২০ AM

ফাইল ছবি
এ কে আজাদ আওয়ামী লীগ করেন—এটি সর্বজনস্বীকৃত, নতুন করে প্রমাণের কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।
তিনি বলেন, “এ কে আজাদ দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় ২০২৪ সালের অবৈধ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। তখনও তার নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগের একটি অংশ সক্রিয় ছিল। এখনও তিনি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়েই প্রচারণা চালাচ্ছেন—এটা নতুন কিছু নয়।”
নায়াব ইউসুফ আরও বলেন, “তিনি দাবি করেন, তিনি আওয়ামী লীগ করেন না। অথচ স্বৈরাচার সরকারের ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তার বক্তব্য আজও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে—‘শুরুতে আমি তোমাকে চাই, শেষ পর্যন্ত আমি তোমাকে চাই—জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’। তিনি হয়তো ভুলে গেছেন, কিন্তু দেশের মানুষ সেই বক্তব্য ভোলেনি।”
তিনি উল্লেখ করেন, “২০ অক্টোবর তিনি যে সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা প্রতিবাদ জানিয়েছেন, সেখানে তার পেছনেই দাঁড়ানো ছিলেন বাখুন্ডার যুবলীগের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী রিয়াদ। তার চারপাশে থাকা প্রত্যেকেই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডার, যারা জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছিল। অথচ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এখনো তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি—যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক বলেন, “এ কে আজাদ বিএনপি এবং আমার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তুলেছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা।”
নায়াব ইউসুফের ভাষায়, “তিনি (এ কে আজাদ) ব্যক্তিগত প্রচারণার আড়ালে স্বৈরাচারের সন্ত্রাসীদের একত্রিত করছেন, তাদের উস্কে দিচ্ছেন। এসবের লক্ষ্য একটাই—পতিত স্বৈরাচারকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা। কিন্তু দেশবাসী তা কখনোই হতে দেবে না। জনগণ যেকোনো মূল্যে সন্ত্রাস ও স্বৈরাচার প্রতিহত করবে।”
উল্লেখ্য, এ কে আজাদ বর্তমানে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর