হামাস-নিয়ন্ত্রিত বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, দখলদার ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় দিনে গাজায় এক দিনেই ৫০ হাজার ফিলিস্তিনি ফিরেছেন।
রবিবার (১২ অক্টোবর) বাস্তুচ্যুত এই ফিলিস্তিনিরা গাজা নগরে ফিরে এসেছেন। তবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত শহরে ফিরে তারা হতবাক ধ্বংসযজ্ঞে, কেউবা স্বস্তি পেয়েছেন ঘর এখনও টিকে আছে জেনে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে জানায়, যুদ্ধবিরতির সুযোগে রাজা সালমি নামের এক ফিলিস্তিনি নারী পায়ে হেঁটে ফিরে গেছেন গাজা নগরীর নিজের বাড়িতে। কয়েক সপ্তাহের বিমান ও স্থল অভিযানে ওই অঞ্চলে তীব্র বোমাবর্ষণ হয়েছিল- যেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি অনুযায়ী হাজারো হামাস যোদ্ধা অবস্থান করছিল।
রাজার বলেন, “আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা হেঁটেছি। প্রতিটি পদক্ষেপে ভয় ও উৎকণ্ঠা ছিল- বাড়িটা আদৌ আছে কি না। তবে আল-রিমাল পাড়ায় পৌঁছে দেখি আমার ঘরটি আর নেই। আর কোনো ঘর নয়- শুধু ধ্বংসস্তূপ। আমি সেখানে দাঁড়িয়ে কেঁদেছি। আমার সব স্মৃতি এখন শুধু ধুলো।”
গাজা নগরীর বাসিন্দা মুহাম্মদ মুর্তজা আশা প্রকাশ করে বলেন, “আমরা শুধু চাই, এই যুদ্ধটা চিরতরে শেষ হোক। আমাদের যেন আর কোনো দিনও পালিয়ে যেতে না হয়।”
এদিকে হামাস-নিয়ন্ত্রিত বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-মুগাইয়ির বলেন, “গত শুক্রবার থেকে এখন পর্যন্ত মোট প্রায় আড়াই লাখ মানুষ গাজা নগরে ফিরে এসেছেন।”