প্রকাশ: বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫, ৪:৩৮ AM

ফাইল ছবি
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় একমাত্র ছেলে কামরুল হাসান কাউছারকে (২১) খুন করেছেন তার মা হামিদা বেগম।
সোমবার (৬ অক্টোবর) তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মা হামিদা বেগমকে আটক করা হলেও তার কথিত প্রেমিক সিএনজি অটোরিকশা চালক করিম এখনো পলাতক।
নিহতের নানি ফরিদা বেগম বাদী হয়ে হামিদা বেগম ও করিমকে আসামি করে ভূজপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামিদার স্বামী কামাল ভুঁইয়া দুই বছর ধরে দুবাই প্রবাসী। এ সময় হামিদা স্থানীয় সিএনজি অটোরিকশা চালক করিমের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রতিবেশীরা একাধিকবার তাকে সতর্ক করলেও তিনি কর্ণপাত করেননি।
ঘটনার দিন (৫ অক্টোবর) রাতে করিম হামিদার বাড়িতে অবস্থান করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হামিদা তার দুই মেয়েকে নানার বাড়ি পাঠিয়ে দেন। পরদিন সকালে ঘরে কাউছারের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার গায়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। পাশে বসে মা হামিদা কাঁদছিলেন, যা দেখে প্রথমে প্রতিবেশীরা স্বাভাবিক মৃত্যু ভেবে বিভ্রান্ত হন। কিন্তু পরে সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করে।
ভূজপুর থানার ওসি মাহবুবুল হক বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হামিদা বেগম স্বীকার করেছেন যে, পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
নিহতের বাবা কামাল ভুঁইয়া দেশে ফিরে বলেন, আমার ছেলে শান্ত স্বভাবের ছিল। করিমের আসা-যাওয়া নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। আমি ছেলের হত্যার বিচার চাই।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো