প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:১৮ পিএম

প্রতীকী ছবি
আগামী ডিসেম্বরে জামায়াতে ইসলামীর নতুন আমির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সারাদেশের এক লাখের বেশি রুকন সদস্য গোপন ভোটে অংশ নেবেন। গঠনতান্ত্রিক নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচনের আগে এই ভোট কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে পরিবর্তনের সুযোগ দিতে পারে।
বর্তমান আমির ডা. শফিকুর রহমানের মেয়াদ ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। ডা. শফিকুর রহমান ২০১৯ সালে প্রথমবার এবং ২০২২ সালে দ্বিতীয়বার জামায়াতের আমির নির্বাচিত হন। গঠনতন্ত্রে একজন ব্যক্তি কতবার আমির হতে পারবেন তা নির্দিষ্ট করা হয়নি।
জামায়াতের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পদ হলো ‘আমির’। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দেশের রুকন সদস্যদের ভোটে তিন বছরের জন্য একজন আমির নির্বাচিত হন। তিনি কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার পরামর্শে নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নেতাদের দায়িত্ব দেন।
বিদায়ী কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্যরা তিনজনের একটি প্যানেল তৈরি করেন। সাধারণত রুকন সদস্যরা এই প্যানেল থেকে একজনকে আমির নির্বাচিত করেন। তবে ভোটাররা প্যানেলের বাইরেও ভোট দিতে পারেন।
দলের একটি সূত্র জানায়, নির্বাচনের দুটি সম্ভাব্য প্যানেল নিয়ে আলোচনা চলছে। এক প্যানেলে আছেন ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি এ টি এম আজহারুল ইসলাম। অন্য প্যানেলে এটিএম আজহারের পরিবর্তে নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের আছেন।
দলটি প্রতিষ্ঠার পর গত দেড় দশকে কঠিন সময় পার করেছে। ২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক ময়দানে তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে থাকা জামায়াত এখন দেশের একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে পরিচিত। রাজপথে দলটি পিআর পদ্ধতি ও পাঁচ দফা দাবিতে সক্রিয় থাকলেও জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রার্থী নির্ধারণ ও ক্ষমতার লড়াইয়ে প্রস্তুত।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, ২৫ ডিসেম্বরের আগে দলের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। নতুন আমির দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করবেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো