প্রকাশ: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:২৬ পিএম

ছ্যাঁচড়া তামিমের চেয়ে আমি সাকিবের বড় ফ্যান ছিলাম। এই দুই পাণ্ডবের তাণ্ডবে আমি ছিলাম সাকিবের পক্ষে। এমনকি তাদের ঝামেলার আগে থেকেই আমি সাকিববাদী ছিলাম। কারণ মেধাবী ও ফলদায়ী বেয়াদব আমার কাছে আদরের ও কাজের মনে হতো।
তামিমের সাথে যখন বিশ্বকাপের আগে গ্যাঞ্জাম হইলো, তখনও আমি সাকিবের পক্ষে ছিলাম। তার পক্ষে লিখে আমি কত যে ব্যাশিং খেয়েছি! এমনকি যখন সে ভুয়া নির্বাচনের অবৈধ এমপি হলো, তখনও আমি তার খেলোয়ারি স্বত্ত্বার সমর্থক ছিলাম। ভাবতাম, হয়তো নোংরা রাজনৈতিক খেলায়- খেলার বা এলাকার উন্নয়নের জন্য সে সহজ পথে এমপি হওয়া বেছে নিয়েছে।
কিন্তু যেদিন থেকে ও ওদের খুনের পক্ষে মৌনব্রত অবলম্বন করতে শুরু করে, নিজের স্টারডম বা দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেও একটা বাক্য বা শব্দও ব্যবহার করে না, তখন আমার আবেগী মনের শৃঙ্খল ভাঙ্গে। আমি বুঝতে পারি, সাকিব অমানুষ, লোভী একটা বরাহ। আর আজ তো ও প্রমাণ করে দিলো, ও আসলে রক্তলোভী হায়েনা। খুনের সারথী। এমনকি গোপনে ওদের অর্থের যোগানদাতাও হতে পারে। সরকারের কাছে অনুরোধ করবো, এই দেশে সাকিবের যত ব্যবসা আছে (সম্ভবত সবগুলোতেই অবৈধ কারবার বা অন্যায় খুঁজে পাওয়া যাবে) সব বন্ধ করে দিয়ে ওরে জাস্ট এই দেশে অপ্রাসঙ্গিক করে দিতে।
আর তামিম! ও তো সেই এক দশক থেকেই ওর স্বার্থপরতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী চাচার লেঞ্জা ধরে, গন্ডায় গন্ডায় শূন্য মেরেও দলে টিকে থেকে, ৩ আগস্টেও (অসমর্থিত নির্ভরযোগ্য সূত্র) সে খুনীর প্রাসাদে গিয়েছে কিংবা যেতে চেয়েছে তাকে শেষ রক্ষার নেগোসিয়শনে অংশ নিতে। আর ৫ আগস্টের পর সে হয়ে গেছে মহা বিএনপি! দেশের প্রথম সুপারস্টার আমিনুল ইসলামের বুলবুলের সাথে এখন সে খোকাপুত্রের পেশীর দাপটে পাঙ্গা নিতে চায়! বুলবুল ওর বাপ-চাচাদেরও আব্বু ক্রিকেটার। ওর ভদ্রতা, সভ্যতা, নম্রতা, বিনয়, ডেডিকেশন, অভিজ্ঞতা ওই ডটবাবার চৌদ্দগুষ্ঠীর সব কয়টারে এক করলেও সমান হবে না।
এই তামিম, সাকিব এগুলা সব দিনশেষে লোভী শিয়াল। এরা সুযোগ পেলেই ক্ষমতা চাটে। সুবিধার জন্য অন্যের ফেলে যাওয়া শিটও চাটতে পারে। শেম অন সাকিব! সেম শেম টু ইউ তামিম।
লেখকঃ সিনিয়র সাংবাদিক