
ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন ১৯নং ওয়ার্ড গুলশান থানা ছাত্রদলের কর্মী সভায়
ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহ্ফুজ উর রহমান লিপকন বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পিছানোর প্রধান অস্ত্র হচ্ছে পিআর পদ্ধতি। তাদের এই অপকৌশলের গোমর ফাঁস হয়েছে। তাই দেশের মানুষ পিআর পদ্ধতিতে ভোট চায় না। পিআর নিয়ে আন্দোলনের নামে নির্বাচন নস্যাৎ, গণতন্ত্রকে ব্যাহত ও দেশকে কড়া বিপর্যয়ের মধ্যে ঠেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ছাত্রদল রাজপথে থেকে রুখে দেবে।
আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) ছাত্রদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন ১৯নং ওয়ার্ড গুলশান থানা ছাত্রদলের কর্মী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল সভাপতি মো. সালাহ্উদ্দিন আহমেদ, সভাপতিত্ব করেন গুলশান থানা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাদমান খান সঞ্চালনায় ছিলেন গুলশান থানা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক হোসেন। আরো উপস্থিত ছিলেন ১৯নং ওয়ার্ড গুলশান থানা ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
লিপকন বলেন, “আগামীর রাষ্ট্রনায়ক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী আগামী নির্বাচন অনেক কঠিন হবে, তাই আমাদের সকলের জনগণের কাছে যেতে হবে, দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে মানুষের আস্থা এবং বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। আদর্শিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিকে মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্য করে তুলে হবে।”
লিপকন আরো বলেন, “হাসিনা পালিয়ে গেছে, কিন্তু প্রিয় নেতৃবৃন্দ আপনারা যে কোন ভালো আছেন তা না, একটি গুপ্ত সংঘটন বিভিন্ন ক্যাম্পাসে বিভিন্ন জায়গায় দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। ছাত্রদল সকল মবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সবসময়ের মত ছাত্রদল বিগতদিনে জনগণকে সাথে নিয়ে যেভাবে স্বৈরাচার সরকারকে প্রতিহত করেছে! ঠিক তেমনি সকল গুপ্ত সংঘটন মব এবং নৈরাজ্যকে প্রতিহত করবে দেশের জনগণকে নিয়ে। আমাদেরও ভুলে গেলে চলবে না, ‘স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন’। হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ২৪-এর স্বাধীনতা। ছাত্রদল প্রয়োজনে আবারো রক্ত দিয়ে রক্ষা করবে।”
ছাত্রদলের প্রত্যেকটি নেতা কর্মীকে সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা দেখেছি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গুপ্ত সংঘটন কীভাবে প্রোভিসিকে হেনস্তা করেছে। স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার পরও কেনো দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে এমন নৈরাজ্য। এই গুপ্ত সংঘটন এবং পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার মিলে মিশে দেশকে অস্থিতিশীল করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।”
তিনি আরো বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি সাহস যখন অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছে, সেই প্রতিবাদ নিয়ে সবাই খারাপ ভাবে উপাস্থপন করেছে কিন্তু কুয়েটের ভিসি স্যারকে মেরে ঘাড়ে থুথু দিয়ে বের করে দিয়েছিল কারা? চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি স্যারের সামনে কাগজ ছিড়ে উন্মাদ উল্লাস করেছিল কারা? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসিকে মারধর করে দাড়ি টেনে অপমানিত করেছিল কারা? এসব দেশের মানুষ জানে। সময় হলে এসবের সমুচিত জবাব দেবে দেশের জনগণ।”
স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস/ওএফ