প্রকাশ: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:৫৩ AM

সংগৃহীত ছবি
জনগণকে গণতন্ত্র ও ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করতে পারলে কোনো হুংকারেই আগামী জাতীয় নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের বাংলাহিলি সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের হলরুমে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলার মাটিতে স্বৈরাচারের বিচার হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের গণতন্ত্র যদি থাকে, সংস্কার বাস্তবায়ন হবে, বিচার হবে, লুণ্ঠনকৃত অর্থ ফেরত আসবে, আজকে যে মব সন্ত্রাস করা হচ্ছে সেটি বন্ধ হবে।”
জনগণ তাদের অধিকার চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “জনগণ দেশের মালিকানা চায়, জনগণ অন্যায় ও অত্যাচারের বিচার চায়, জনগণ লুণ্ঠিত অর্থ ফেরত আনতে চায় এবং আমাদের ওপর পাখির মতো গুলি করে যে সমস্ত ভাইদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে সেসব হত্যার বিচার চায়। কাজেই জনগণ কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনকে কলঙ্কিত করে, বিচার প্রক্রিয়াকে কলঙ্কিত করে, সেই বিচার ব্যবস্থা কলঙ্কিত করে, স্বৈরাচারের পুনর্বাসন চায় না।”
বিভিন্নভাবে নির্বাচনকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য পাঁয়তারা করা হচ্ছে উল্লেখ করে ডা. জাহিদ হোসেন আরো বলেন, “এখনো ঐকমত্যের পরিসরে আলোচনা চলছে এবং উপদেষ্টারা সবাই মিলে আলোচনা করছেন। কিন্তু কেউ কেউ রাজপথে নামার হুংকার দিচ্ছে। হুংকার দেওয়া কোনো সমস্যা নয়, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে হুংকার দিয়েও পারেন; কিন্তু আমরা জানি, আমরা জনগণকে যদি গণতন্ত্রের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করতে পারি, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ঐকমত করতে পারি, তাহলে কোনো হুংকারেই আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই। কারণ মনে রাখতে হবে, শেষ বিচারে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে- তারা কার সঙ্গে থাকবে, কার দিকে যাবে; জনগণ ভোটাধিকারের মাধ্যমে তাদের ইচ্ছা প্রকাশ করবে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস