প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:১৫ পিএম আপডেট: ০৯.০৯.২০২৫ ১০:২৬ PM

মাথায় শয়তান ভর করায় ভুল হয়েছে বলে দায় স্বীকার করেছেন ছাত্রদের বলাৎকারে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মো. আব্দুল মুন্নাফ। বলাৎকারের পর ঘটনা প্রকাশ ঠেকাতে ভূক্তভোগীর গলায় দা ঠেকিয়ে মেরে ফেলার হুমকিও দিতেন তিনি।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবীতে বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয়রা।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে জুগ্নীদহ তাহফিজুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রদের ধারাবাহিকভাবে বলাৎকারের অভিযোগে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। এর আগে রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘটনা প্রকাশের পরই মাদ্রাসা ছেড়ে পালিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনায় এক ভূক্তভোগী শিক্ষার্থীর পিতা বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরই শাহজাদপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা অভিযুক্ত মাদ্রাসা ওই শিক্ষককে আটক করে।
সম্প্রতি ঐ মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের দুজন শিক্ষার্থী মাদ্রাসায় না যেতে চাইলে অভিভাবকদের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তারা জানায় মাদ্রাসার শিক্ষক তাদের গভীর রাতে রুমে টেনে নিয়ে মুখ চেপে ধরে খারাপ কাজ করে। এ ঘটনা কাউকে বলে দিলে দা দিয়ে গলা কেটে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। এসময় কয়েকশ মানুষ অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকের বিচার দাবী করে স্লোগান দিতে থাকে।
এসময় উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসার দুজন শিক্ষককে মারধরও করে। পরে খবর পেয়ে শাহজাদপুর থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এবিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আছলাম আলী জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগ স্বীকার করেছে এবং মাথায় শয়তান ভর করার ফলেই এমন ভুল হয়েছে বলে জানিয়েছে।
এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো