প্রকাশ: রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:০১ AM

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, কোনো ব্যাংকের মূলধন ১০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে এবং সেই ব্যাংক প্রভিশন লসে থাকলে- সেখানে ডিভিডেন্ড ও বোনাস দেওয়া যাবে না। এমনকি, ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তাও বোনাস পাবেন না- যদি প্রতিষ্ঠানটি প্রভিশন লসে চলে যায়।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এক হোটেলে সেন্টার ফর নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশ এনআরবি আয়োজিত ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ; আসন্ন নির্বাচন, প্রবাসীদের অংশগ্রহণ, আগামীর অর্থনীতি বিষয়ক এক আলোচনায় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘চেষ্টা করছি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার। গত কয়েক বছরে অর্থ ব্যবস্থায় শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। একটা অস্থিরতা বিরাজ করছিল- সেখান থেকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে এবং আংশিক হলেও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’
তিনি জানান, ব্যালান্স অব পেমেন্টে উদ্বৃত্ত দেখা যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন রেমিট্যান্স প্রবাহে ২১ শতাংশ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয়ে উন্নতি।
গভর্নর বলেন, ‘ওপর মহল থেকেও কমিশন বাণিজ্য যেভাবে হতো তবে হুন্ডিও কমে এসেছে। ৩০ শতাংশ লিকেজ হতো প্রবাসী আয়ের। আমদানি কমেনি তবে মূল্যটা কমে এসেছে। মূল্য বাড়িয়ে পাচার করার মানুষ এখন দেশে নেই তাই ব্যয় কমেছে। যেভাবে অর্থ পাচার হতো সেভাবে এখন হয় না। এর পেছনে কাজ করছে সুশাসন। এজন্যই বেড়েছে রিজার্ভ।’
তিনি বলেন, ‘ব্যাংকের মূলধন ১০ শতাংশের নিচে হয় এবং প্রভিশন লস করে তাহলে ডিভিডেন্ড ও বোনাস দিতে পারবে না। এ ছাড়া কোনো কর্মকর্তাকে বোনাস দেওয়া হবে না। যদি তারা প্রভিশন লস করেন। তিন মাসের ঋণ অনাদায়ি থাকলে তাকে নন-পারফর্মিং লোন হিসেবে ধরা হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের সাথে রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে আলোচনা শুরু হবে ৫টি ব্যাংকে একীভূত করার বিষয়ে। এক-দুই বছরের মধ্যে ভালো করবে। কর্মকর্তা ও আমানতকারীদের জন্যও ভালো হবে। জুনের খেলাপি রিপোর্টে ৩০ শতাংশ খেলাপির আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম