প্রকাশ: শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:০৩ পিএম

সংগৃহীত ছবি
বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নে নতুন ভোটার নিবন্ধনের নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর শামসুল আলম (আরিফ) এর বিরুদ্ধে।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোটবগীর নেছার উদ্দিন নতুন ভোটার নিবন্ধন করতে গেলে ৫০০ টাকা দাবি করা হয় তার কাছে। দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে দিনের পর দিন নানা অজুহাতে হয়রানি করা হয় ও ভোটার না বানানোরও হুমকি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে টাকা দেন তিনি। তবে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর শামসুল আলম (আরিফ) টাকা ফেরত দেন।
এই ঘটনায় স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচন অফিসে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে নতুন ভোটারদের। এছাড়া, আরিফের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তালতলী উপজেলা নির্বাচন অফিস ‘দুর্নীতির আখড়া’তে পরিণত হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। দ্রুত তদন্ত এবং ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
ভুক্তভোগী নেছার উদ্দিন বলেন, “আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর আমি বিষয়টি সাংবাদিকদের জানালে তারা ঘটনাস্থলে আসেন। তখন স্থানীয়দের উপস্থিতিতে অপারেটর ক্ষমা চেয়ে টাকা ফেরত দেন। তবে, সাধারণ মানুষ যদি ন্যায্য প্রক্রিয়ায় ভোটার হতে না পারে, দুর্নীতি আরো বেড়ে যাবে।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর শামসুল আলম আরিফ বলেন, আমাকে শুধু চা খাওয়ার টাকা দিয়ে গেছেন। আমি ভুল করেছি, ক্ষমা চাই। ভবিষ্যতে আর এমন হবে না।”
তালতলী উপজেলা নির্বাচন অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা কামাল জানান, যেহেতু ঘুষের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে, তাই এ নিয়ে নিউজ নিউজ করিয়েন না।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আবদুল হাই আল হাদী বলেন, “নতুন ভোটার হতে কোনো ধরনের টাকা দিতে হয় না। এই টাকা নিয়ে যারা ভোটার নিবন্ধন করেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।”
স্বদেশ প্রতিদিন/শাহো