প্রকাশ: শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:৩২ AM

সংগৃহীত ছবি
ফিলিস্তিনের তিনটি শীর্ষ মানবাধিকার সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে রয়েছে আল হক, ফিলিস্তিন সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস (পিসিএইচআর) এবং আল-মিজান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস।
আজ বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) মার্কিন ট্রেজারি দপ্তর এ সংগঠনগুলোকে ‘বিশেষভাবে মনোনীত নাগরিক এবং অবরুদ্ধ ব্যক্তিদের তালিকায়’ অন্তর্ভুক্ত করে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে জানান, ইসরায়েলের অনুমতি ছাড়া এসব সংগঠন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে তদন্ত, গ্রেপ্তার ও আটকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এজন্যই তাদের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আইসিসির সার্বভৌমত্বকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। আমরা আমাদের সেনাবাহিনী, সার্বভৌমত্ব এবং মিত্রদের রক্ষায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।
এর আগে গাজায় যুদ্ধাপরাধের দায়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে তদন্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে ট্রাম্প প্রশাসন আইসিসির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের অপরাধ নথিভুক্ত করে আসছে। রামাল্লাহভিত্তিক আল হক অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করছে এবং তেল আবিবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশে আইনি লড়াই চালাচ্ছে। গাজাভিত্তিক পিসিএইচআর ও আল-মিজান সেন্টার চলমান যুদ্ধের সব তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং স্বাধীন অনুসন্ধান সংস্থাগুলোকে সহায়তা করছে।
মার্কিন সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে তিন সংগঠন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা অবৈধ, অগণতান্ত্রিক এবং কাপুরুষোচিত।
সূত্র: আল জাজিরা