প্রকাশ: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:৩১ পিএম

সরকার আলু চাষিদের উৎপাদন খরচ বিবেচনা করে হিমাগারের গেটে আলুর প্রতি কেজি সর্বনিম্ন মূল্য ২২ টাকা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু বাস্তবে হিমাগারে আলু বিক্রি হচ্ছে ১২ থেকে ১৪ টাকায়, আর খুচরা বাজারে দাম ২০ থেকে ২২ টাকা কেজি।
গত বুধবার কৃষি মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হিমাগারের গেটে প্রতি কেজি আলুর সর্বনিম্ন মূল্য ২২ টাকা এবং ৫০ হাজার টন আলু কেনার ঘোষণা দেয়। তবে এই ঘোষণা কতটুকু বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে নভেম্বরের শেষের দিকে নতুন আলু উঠবে। তখন পুরাতন আলুর চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ী, কৃষক এবং হিমাগার মালিকরা লোকসানের মুখে পড়তে পারেন।
রংপুর নগরীর ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন ও আবুল কালাম স্থানীয় একটি হিমাগারে প্রায় তিন হাজার বস্তা আলু রেখেছিলেন। তারা জানান, সরকার ২২ টাকা কেজি নির্ধারণের পর কিছুটা আশার আলো দেখেছিলেন। কিন্তু সোমবার হিমাগারে গিয়ে দেখেন আলু বিক্রি হচ্ছে ১২ থেকে ১৪ টাকায়। এর ফলে তারা আলু বিক্রি না করেই ফিরে আসেন।
গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের আলু চাষি বাবুল মিয়া ও আবু হানিফও হিমাগারে আলু রেখেছিলেন। লোকসানের ভয়ে তারা আলু উত্তোলন করেন। সরকারি ঘোষণায় হিমাগার ফটকে আলু বিক্রি করতে গিয়ে দেখেন, নির্ধারিত দামে আলু বিক্রি করা হচ্ছে না।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর