প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:১৯ পিএম

সংগৃহীত ছবি
ফজরের নামাজ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন, “নামাজ মুমিনদের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ করা হয়েছে।” (সুরা নিসা, আয়াত: ১০৩)
তাই কোনো ওজর বা বিশেষ কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ বিলম্ব করা জায়েজ নয়। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ সময়মতো আদায় করবে না, সে গুনাহগার হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৯৬)
তবে কেউ ভুলবশত, অপারগতা বা বিশেষ কোনো কারণে নামাজ আদায় করতে না পারলে, পরে সেই নামাজ আদায় করতে হবে। একে বলা হয় কাজা নামাজ। ফরজ বা ওয়াজিব নামাজ ছুটে গেলে তা কাজা করতে হয়, কিন্তু সুন্নত বা নফল নামাজ কাজা করার নিয়ম নেই।
ইসলামী ফেকাহ অনুযায়ী, ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর দুই রাকাত সুন্নত ছাড়া অন্য কোনো নফল নামাজ পড়া মাকরূহ। তবে এ সময় কাজা নামাজ আদায় করা যাবে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৭২৩; কিতাবুল আসল ১/১২৬)
ফজরের সুন্নতের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। উম্মুল মুমিনিন হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত, আজান শেষ হওয়ার পর ও ফজরের ওয়াক্ত প্রবেশ করলে রাসুলুল্লাহ (সা.) ফরজের আগে দুই রাকাত সংক্ষিপ্ত সুন্নত আদায় করতেন। (বুখারি, হাদিস: ৬০১)
আবার আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ফজরের দুই রাকাত সুন্নতের মতো অন্য কোনো নফল নামাজ এত গুরুত্ব দিয়ে আদায় করতেন না। (বুখারি, হাদিস: ১১৬৩)