প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৪:০৪ পিএম আপডেট: ০২.০৯.২০২৫ ৪:১৮ PM

বাঁ থেকে পরিবারের সাথে এডলফ খান, নাহিদ এবং ওয়ালিদ ইসলাম। ছবি সংগৃহীত
আমি জানি না আমরা আপনাদের সমাজে জন্মগ্রহণ করে কি পাপ করি বা করেছি। আমরা কেবলমাত্র আপনাদের সমাজের হাসির খোরাক। পৃথিবীর জন্য আর কোন উপযোগিতাই বোধহয় আমাদের নেই। এডলফ খান বা তার ভাই অথবা নাহিদ নামের এই ছেলেটা কাকে আপনি তার মেয়েলি আচরণের জন্য দায়ী করবেন? দায় যদি কারও থাকে তা কেবলই সৃষ্টিকর্তার। কারণ, তিনিই শরীরে হরমোনাল ইমব্যালান্স জন্ম থেকেই দিয়ে দিয়েছেন আপনাদের হাসির খোরাক বনে পৃথিবীতে বাচার জন্য। এ্যাডলফ খানের অনেক কর্মকাণ্ডে আমিও বিরক্ত হই। কিন্তু, বাবা মারা যাবার পরেও তার বাবা-মাকে তুলে গালি-গালাজ, এরকম সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য আপনারা নিজেরাই সৃষ্টিকর্তার আসনে বসে তার বাবাকে দোজখে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। সরাসরি উল্লেখ করছেন যে, "এই সন্তান জন্ম দেয়ার পরপরই তার বাবার আত্মহত্যা করা উচিৎ ছিলো"। জন্মের আগে কতোখানি পাপ করলে এধরণের মন্তব্য কাউকে শুনতে হয়!
নাহিদ ছেলেটা এতোটা এ্যাস্থেটিক রান্না-বান্নার ভিডিও তৈরি করে তা বলার মতো নয়। ছেলেটা একটা ইন্টারভিউ দিলো সেদিন। তার নিচে গণহারে মন্তব্য, "এই হিজড়াটা এগুলো বাদ দিয়ে হিজড়া ডেরায় যায় না কেন"? " ও ছেলে না মেয়ে? ওর এতো ঢং কেন"? ছেলেটা ভিডিওতে শুধু রান্নাবান্নার সৌন্দর্য্যই দেখায়। তাতেও আপনাদের সমস্যা!
ভাই, নিজেকে মানুষ ভাবেনতো? আল্লাহ কিন্তু উপরে আছেন। আর আমাদেরকে আপনারা মানুষ ভাবেন না ভাবেন আল্লাহ কিন্তু ভাবেন। আমরাও কষ্ট পাই, আমাদের কান্নাগুলোও তার কাছে পৌছায়। তবুও মন থেকে দোয়া করি আপনার সন্তানকে আল্লাহ যেনো আমাদের কারো মতো না করে দুনিয়াতে পাঠান।
(লেখকের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত)
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর