শুক্রবার ● ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       ● নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       ● আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      ● সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      ● সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       ● আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      ● লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      ● কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      ● প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ● ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      ● অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ● ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
বিশ্বে প্রথমবার মানব শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন
হেলথ ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৪২ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত এক রোগী প্রথমবারের মতো নিজের শরীরেই ইনসুলিন উৎপাদনে সক্ষম হয়েছেন। জিন সম্পাদিত কোষ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই যুগান্তকারী সাফল্য এসেছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—এই রোগীকে প্রতিস্থাপনের পর আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দমনকারী ওষুধ সেবন করতে হচ্ছে না।

সম্প্রতি নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণায় এবং বিজ্ঞানবিষয়ক ওয়েবসাইট লাইভ সায়েন্স-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯৫ লাখ মানুষ টাইপ-১ ডায়াবেটিসে ভুগছেন। এ রোগে শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অগ্ন্যাশয়ের (প্যানক্রিয়াস) আইলেট কোষ ধ্বংস করে ফেলে, যা ইনসুলিন উৎপাদন করে। ফলে রোগীদের প্রতিদিন ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। এখন পর্যন্ত এ রোগ নিরাময়যোগ্য নয়।

সাধারণত আইলেট কোষ প্রতিস্থাপনে সবচেয়ে বড় বাধা হলো শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। প্রতিস্থাপিত কোষকে ‘বহিরাগত’ ভেবে শরীর আক্রমণ করে। এজন্য রোগীদের আজীবন প্রতিরোধক্ষমতা দমনকারী ওষুধ খেতে হয়, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।

এই সমস্যার সমাধানে সুইডেন ও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা সিআরআইএসপিআর (CRISPR) প্রযুক্তি ব্যবহার করে দাতার প্যানক্রিয়াস থেকে নেওয়া আইলেট কোষকে জিনগতভাবে পরিবর্তন করেন। এতে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নতুন কোষকে বহিরাগত হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে না।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিস্থাপনের ১২ সপ্তাহ পরও রোগীর শরীর ইনসুলিন উৎপাদন করছে এবং কোনো প্রতিরক্ষাজনিত প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। দাতার কোষে তিনটি জিনগত পরিবর্তন আনা হয়েছিল—

দুটি পরিবর্তনে বহিরাগত কোষ চিহ্নিতকারী প্রোটিন কমানো হয়েছে,

তৃতীয় পরিবর্তনে সিডি৪৭ প্রোটিনের উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে, যা প্রতিরক্ষা কোষকে আক্রমণ না করার সংকেত দেয়।

জিন সম্পাদিত এই কোষ ইনজেকশনের মাধ্যমে রোগীর শরীরে প্রবেশ করানো হয়। রোগীর শরীর কোষগুলোকে বহিরাগত হিসেবে চিহ্নিত করেনি এবং স্বাভাবিকভাবে ইনসুলিন উৎপাদন শুরু করেছে।

যদিও পরীক্ষামূলকভাবে রোগী এখনো ইনসুলিন নিচ্ছেন এবং স্বল্প পরিমাণ কোষ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, এ প্রক্রিয়া নিরাপদ এবং টাইপ-১ ডায়াবেটিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

গবেষক দল জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদে কোষগুলো টিকে থাকে কি না এবং অন্য রোগীদের ওপর একইভাবে কার্যকর হয় কি না—তা পর্যবেক্ষণ করে দেখা হবে।


স্বদেশ প্রতিদিন/এমএএম



আরও সংবাদ   বিষয়:  ইনসুলিন   






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close