বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
তিব্বতে চীনের মেগা বাঁধ, চাপে ভারত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫, ৩:৫৫ পিএম আপডেট: ২৫.০৮.২০২৫ ৪:১০ PM

তিব্বতের ইয়ারলুং জাংবো (ভারত ও বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্র) নদীতে বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ শুরু করেছে চীন। ভারত আশঙ্কা করছে, এই বাঁধ শুকনো মৌসুমে পানিপ্রবাহ ৮৫% পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে এবং চীন চাইলে পানিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবেও ব্যবহার করতে পারে।

বেইজিংয়ের এই সিদ্ধান্তে নয়াদিল্লি উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, ভাটির দেশ ভারত ও বাংলাদেশের অধিকার রয়েছে অভিন্ন নদীর পানির ওপর। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, বাঁধটি বছরে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ঘনমিটার পানি সরিয়ে নিতে সক্ষম হবে— যা সীমান্তে ভারতের প্রবাহের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। এর ফলে কৃষি ও জীবিকার জন্য ব্রহ্মপুত্রের ওপর নির্ভরশীল কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

চাপের মুখে ভারত অরুণাচল প্রদেশে স্থগিত হয়ে থাকা ‘আপার সিয়াং’ বাঁধ প্রকল্প দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ প্রকল্প সফল হলে ভারত প্রায় ১৪ বিলিয়ন কিউবিক মিটার পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে প্রবাহ বজায় রাখতে পারবে। তবে স্থানীয় আদি জনগোষ্ঠী আশঙ্কা করছে, এতে অন্তত ১৬টি গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে যাবে।

চীন অবশ্য দাবি করেছে, তাদের বাঁধ প্রকল্প কঠোর বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে নিরাপদভাবে নির্মিত হচ্ছে এবং ভাটির দেশে কোনো ক্ষতি করবে না। কিন্তু আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ভূমিকম্পপ্রবণ তিব্বত ও অরুণাচলে এ ধরনের মেগা বাঁধ ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে।

চীনের বাঁধ ২০৩০-এর দশকের প্রথম ভাগেই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারতের প্রকল্প শুরু হলেও শেষ হতে আরও এক দশক লাগতে পারে। ফলে নদী নিয়ন্ত্রণে একতরফা সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে বেইজিং।

স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ



আরও সংবাদ   বিষয়:  তিব্বত  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close