প্রকাশ: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫, ৩:২৬ পিএম

ইরান একাধিক দেশে অস্ত্র তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ। তবে কোন কোন দেশে এসব কারখানা স্থাপন করা হয়েছে, তা প্রকাশ করেননি তিনি।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান নাসিরজাদেহ।
তিনি আরও বলেন, গত এক বছরে ইরান উন্নত ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য নতুন ওয়ারহেড পরীক্ষা করেছে। একই সময় ইরানের নৌবাহিনী ওমান উপসাগর ও উত্তর ভারত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের লক্ষ্যবস্তুতে ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করে বৃহৎ সামরিক মহড়া চালিয়েছে। এর আগে গত মাসে ইরান ও রাশিয়া কাস্পিয়ান সাগরে যৌথ সামরিক মহড়া ‘কাসারেক্স ২০২৫’ আয়োজন করেছিল।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে আধুনিক অস্ত্র কেনার সুযোগ সীমিত হয়ে যায় ইরানের। এর ফলে দেশটি স্থানীয়ভাবে অস্ত্র উৎপাদন ও পুরোনো প্রযুক্তি আধুনিকীকরণের পথ বেছে নেয়।
নাসিরজাদেহ দাবি করেন, সম্প্রতি ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাত যদি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতো, তবে শেষ তিন দিনে ইসরাইল কোনো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে পারত না। তার দাবি, ইরান এখনো তাদের সবচেয়ে নিখুঁত ক্ষেপণাস্ত্র ‘কাসেম বাসির’ ব্যবহার করেনি, যার পাল্লা প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার এবং এতে উন্নত গাইডেন্স সিস্টেম রয়েছে।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুতে প্রায় ৪০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আটকানো হলেও শেষে ৯০ শতাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। তবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ১২ দিনের যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার সাফল্যের হার ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ।
সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ