প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৫২ পিএম আপডেট: ২১.০৮.২০২৫ ৭:৫৮ PM

রাজবাড়ীতে ‘বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভিযোজন প্রকল্প’-এর আওতায় দুই দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২০ আগস্ট) ও বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল ১০ থেকে বিকেল ৪ প্রযন্ত জেলা উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের হল রুমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলা দুই শতাধিক কৃষক অংশ নেয়।
এসময় উপপরিচালক ডা. মো. শহিদুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. মাহফুজুর রহমান, রাজবাড়ী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জনি খান, বালিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, কালুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পূর্ণিমা হালদার, পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন, গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ রায়হানুল হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষকগণ এ সময় কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এয়ার ফ্লো মেশিন ব্যবহার করে দীর্ঘদিন পেঁয়াজ কিভাবে সংরক্ষণ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করে। অল্প জাইগায় দীর্ঘ ৯ মাস পেঁয়াজের গুণগত মান অক্ষুন্ন রেখে সংরক্ষণের পরামর্শ দেয়। পরে একটি এয়ার ফ্লো মেশিনের কিভাবে ৩শ মণ পেয়াজ সংরক্ষণ করতে হয় সেটি দেখানো হয় প্রশিক্ষণ কর্মশালায়।
অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভিযোজন প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. মাহফুজুর রহমানের দাবি, দেশের মোট উৎপাদিত পেঁয়াজের থেকে চাহিদা কম। তবে সঠিক সংরক্ষণের অভাবে প্রতি বছর বিদেশ থাকে ৪ থেকে ৫ লক্ষ মেট্রিক টন পেয়াজ আমদানি করতে হয়। আমদানি নির্ভরতা কমাতে কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেওয়া হবে এয়ার ফ্লো মেশিন। এতে কৃষক যেমন অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবে, তেমনি দেশে আমদানি নির্ভরতা কমবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম