
সংগৃহীত ছবি
এবারের ডাকসু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামা অনেকেই আমার আপন, কাছের, পরিচিত ও প্রিয়। সাদিক কায়েম, এস এম ফরহাদ ও মহীউদ্দীন খান- গণ-অভ্যুত্থানের সাহসী নেতা, যাদের সাথে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক, গল্প, লড়াইয়ের স্মৃতি।
আপ বাংলাদেশ- এর কেন্দ্রীয় সদস্য স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ- আমাদের একসাথে দীর্ঘদিনের পথচলা। উত্তরা ও টঙ্গীর ফ্রন্টে জুলাই অভ্যুত্থানে সামনে থেকে লড়েছে, আহতও হয়েছে।
শিবিরের প্যানেল 'ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট' থেকে অনেক ঘনিষ্ঠ মুখ। সাজ্জাদ, মাজহার, মারুফ, জসীমসহ আরো অনেকে- যাদের সাহস, আন্তরিকতা ও সংগ্রামের স্মৃতি গর্বের জায়গা। আছে জুমা- এক সাহসী, দুরন্ত মেয়ে।
আব্দুল কাদের, আবু বাকের, আশরেফার সাথে গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, আন্তরিকতা ও শ্রদ্ধার জায়গায় দাঁড়িয়ে।
বিন ইয়ামিন মোল্লাকে চিনি ২০১৮-এর কোটা আন্দোলন থেকে। জামালুদ্দীন খালিদের সাথেও আন্তরিক পরিবেশে কথা হয়েছে।
মুসাদ্দিক, জুবায়ের, রাফি, রেদওয়ান, সাফওয়ান, জাকারিয়া- সবাই আন্তরিক সম্পর্কের ছোটভাই।
ইমির সাথে জাতীয় নাগরিক কমিটিতে একসাথে কাজের সুন্দর অভিজ্ঞতা আছে, ওর কাছ থেকে শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা পেয়েছি। শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা পেয়েছি উমামা ফাতেমার কাছ থেকে।
ছাত্রদলের আবিদ- গণ-অভ্যুত্থানে সামনের সারির লড়াকু, ওর কথাবার্তা, এটিচ্যুড ভালো লেগেছে। হামীম আমার বিভাগের ছোট ভাই।
এবারের ডাকসু সত্যিই চমকপ্রদ। ডাকসু নির্বাচন দীর্ঘদিন পর এমন এক মঞ্চ তৈরি করেছে যেখানে গণ-অভ্যুত্থানের সাহসী মুখ, বিভিন্ন ধারার সংগ্রামী শিক্ষার্থীরা একইসাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
এই ডাকসু আমার কাছে ভীষণ আপন এক নির্বাচন। প্রার্থী তালিকায় অনেকেই আমার চেনা, কাছের, লড়াই-সংগ্রামের সাথী। কেউ দীর্ঘদিনের পরিচিত, কেউ জুলাই অভ্যুত্থানের ময়দানের সহযোদ্ধা, কেউবা আন্দোলনের দিনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ানো মানুষ। এতগুলো প্রিয় মুখকে একসাথে নির্বাচনী ময়দানে দেখা- আমাকে যেমন আবেগাপ্লুত করছে, তেমনি আশা জাগিয়েছে। ডাকসু আবারও হয়ে উঠুক সাহস, ঐক্য আর ইতিবাচক ছাত্ররাজনীতির প্রতীক- এই স্বপ্ন নিয়েই সামনে তাকিয়ে আছি।
লেখক: আহ্বায়ক- আপ বাংলাদেশ
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম