বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া হবে না       নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মোংলায় বিএনপির বিক্ষোভ       আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার      সাতক্ষীরায় জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রকল্পের সমাপনী      সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ       আইনশৃঙ্খলা সভায় হট্টগোল, তর্কে জড়ালেন এমপি হান্নান      লাতিন আমেরিকার দুই দলকে হারাল জাপান-কোরিয়া      কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে ৫১ কিশোর আটক      প্রথম ১৪ ওয়ানডেতেই ইতিহাস গড়লেন ম্যাথু ব্রিটজকে      ২৫ সেপ্টেম্বরের মুর্তজা কিজিলবাশের কনসার্ট স্থগিত      অঙ্কন-নন্দিতার দ্বৈত কণ্ঠে আজ প্রকাশিত হচ্ছে ‘মথুরা’      ফোটন সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন      
বাংলাদেশের গৌরবান্বিত তিনটি স্থাপনা একই ফ্রেমে
পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৫৭ পিএম

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা—হার্ডিঞ্জ ব্রীজ, লালনশাহ সেতু এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র—বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য ও উন্নয়নের প্রতীক।

পাবনা জেলার ইতিহাস ২০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন। ১৮২৮ সালের আগে এটি যশোর জেলার অংশ ছিল। ১৯৮৪ সালে জেলা পুনর্গঠন করে সিরাজগঞ্জ ও কুষ্টিয়ার কিছু অংশ পৃথক করা হয় এবং বাকি অংশ নিয়ে বর্তমান পাবনা জেলা গঠিত হয়।

ঈশ্বরদী উপজেলায় অবস্থিত পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রীজ দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু হিসেবে পরিচিত। ১৯০৯ থেকে ১৯১৫ সালের মধ্যে নির্মিত এই সেতু পদ্মা নদীর উপর দাঁড়িয়ে 있으며, এর দৈর্ঘ্য ১.৮ কিমি। ব্রিটিশ শাসনামলে ২৪,৪০০ শ্রমিকের অক্লান্ত পরিশ্রমে নির্মিত এই ব্রীজটি ১৯১৫ সালে উদ্বোধন করা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পরে মেরামত করা হয়েছে।

হার্ডিঞ্জ ব্রীজের পাশেই অবস্থিত লালনশাহ সেতু, যা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ২০০১ সালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ২০০৪ সালে উদ্বোধন করা এই সেতু ১.৮ কিমি দীর্ঘ এবং চার লেন বিশিষ্ট। এটি পদ্মার তীরবর্তী এলাকায় স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী জেলার মানুষের চলাচল সহজ করেছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক কেন্দ্র। রাশিয়ার রোসাটোম-এর সহযোগিতায় নির্মিত এই কেন্দ্র ২.৪ গিগাওয়াট ক্ষমতার। ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন ধাপে নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২০২৪ সালে প্রথম ইউনিট কার্যক্রম শুরু করার কথা থাকলেও প্রকল্পের সময়সীমা সম্প্রতি ২০২৭ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। পারমাণবিক চুল্লি এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে, যা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মানুষের দুর্ঘটনা মোকাবেলায় সক্ষম।

এই তিনটি স্থাপনা শুধু বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাক্ষী নয়, বরং দেশের পরিচয় ও গর্বের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। হার্ডিঞ্জ ব্রীজ, লালনশাহ সেতু ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এক ফ্রেমে দেখে দর্শক দেশের প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তি একসাথে উপভোগ করতে পারেন।

স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ


আরও সংবাদ   বিষয়:  পাবনা  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close