
সংগৃহীত ছবি
জিহবা যদিও একটি নরম গোশতের টুকরা, এটি মহান আল্লাহর অশেষ নিয়ামত। জিহবা থেকেই বন্ধু শত্রুতে পরিণত হয়, আবার শত্রুও বন্ধুতে রূপ নেয়।
একজন আরব কবি বলেছেন, “তরবারীর আঘাতে ক্ষত নিরাময় হতে পারে, কিন্তু জিহবার আঘাতের ক্ষত নিরাময় হয় না।”
তাই চুপ থাকা অথবা উত্তম কথা বলা এক মহান ইবাদাত। বেশি কথা বলার ফলে নানা বিপদ হতে পারে, যেমন মিথ্যা বলা, গীবত, চোগলখুরি, অন্যকে কষ্ট দেয়া, গোপনীয়তা ফাঁস করা, আত্মপ্রশংসা এবং অন্যের খুঁত খোঁজা ইত্যাদি।
অপরদিকে, জিহবার হিফাজত করলে জিকির ও ইবাদাতে সময় পাওয়া যায়, যা পরকালের হিসাব থেকে মুক্তি এনে দেয়। আল্লাহ পাক সূরা মুমিনুনে বলেছেন, “মুমিনরা অনর্থক কথাবার্তায় লিপ্ত হয় না।”
নবী সা. বলেছেন, “আল্লাহ সীমাতিরিক্ত কথাবার্তা পছন্দ করেন না।” (আহমদ)
হাদিসে বলা হয়েছে, “জিহবার জন্যই মানুষকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” (তিরমিজী ও ইবনে মাজাহ)
উমর (রা.) বলেন, “শরীরের প্রতিটি অঙ্গ জিহবাকে কেঁদে কেঁদে বলে, ‘আমরা আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, তুমি সঠিকতার পথে থাকবে। কারণ তুমি যদি সঠিক থাকো, আমরা ও সঠিক থাকবো; কিন্তু তুমি যদি অন্য পথে যাও, আমরা ও দুরবস্থায় পড়বো।’”
মহান আল্লাহ সতর্ক করেছেন, “মানুষ এমন কথা বলে না যা লিপিবদ্ধ না থাকে।” (সূরা ক্বফ-১৮)