প্রকাশ: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫, ১১:০৩ পিএম

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে গণঅভ্যুত্থান দিবসে কালো পতাকা উত্তোলন করা নিয়ে তোলপাড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
চাঁচড়া ইউনিয়নে ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোফাজ্জল আলম সিকদার জানান, আমাদের পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের দোসর আবু তাহেরের ডান হাত রফিজল,পরিষদ নিয়ন্ত্রণ করতো। গণ অভ্যুত্থান দিবসে সে কালো পতাকা উত্তোলন করতে চেয়েছিল। ২০২৪ সালে আজকের এই দিনে ছাত্রজনতার আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। আজ আমাদের আনন্দের দিনের পরিবর্তে কেন শোকের পতাকা।
৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সবুজ তালুকদার বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার আলাউদ্দিন ও কেয়ারটেকার রফিজল এই কালো পতাকা উত্তোলন করে এবং সরকারি বন্ধের দিনেও সচিব টেক অফিসারের অনুপস্থিতিতে চাউল বিতরণ করেন। ছুটির দিনে চাউল বিতরণ করে আমাদের গণঅভ্যুত্থান কে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এই সচিব ইয়াজউদ্দিন রিয়াজ।
একই এলাকার বাসিন্দা মো. সুমন বলেন, ৫ তারিখে সারা বাংলাদেশে ছিল আনন্দ মিছিল। কিন্তু চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদে পালিত হয়েছে শোক দিবস।
মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে সাড়ে ১০ টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনের দোকানে চা খেতে গেলে দেখি জাতীয় পতাকার সাথে কালো পতাকা। পরে ব্যাপারটা জানার পর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, চৌকিদার ও দফাদার কালো পতাকাটি নামায়। আমরা বিষয়গুলো তজুমদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসি কাছে অভিযোগ করবো।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রফিজল বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার আলাউদ্দিন আমাকে পাতাকা উত্তোলন করতে বলছে।
দফাদার আলাউদ্দিন বলেন, ভুলবশত পতাকাটি টানানো হয়। কিন্তু আমি রফিজলকে পতাকা উত্তোলন করতে বলনি।
দফাদার আলাউদ্দিন বলেন, ভুলবশত কালো পতাকা উত্তোলন করার পর সচিবের উপস্থিতিতে পতাকা নামানো হয়েছে। কিন্তু সচিব ইয়াজ উদ্দিন রিয়াজ বিষয়টি অস্বীকার করেন।
স্বদেশ প্রতিদিন/কেআইকে