
কার্ড ইস্যু, অ্যাক্যোয়ারিং এবং ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অসাধারণ নৈপুণ্যের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা জিতেছে ব্যাংকটি।
ভিসা লিডারশিপ কনক্লেভ ২০২৫-এ রেকর্ডসংখ্যক ছয়টি পুরস্কার অর্জন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এই অর্জন ব্যাংকটির জন্য এক অনন্য মাইলফলক।
কার্ড ইস্যু, অ্যাক্যোয়ারিং এবং ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অসাধারণ নৈপুণ্যের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা জিতেছে ব্যাংকটি।
ব্র্যাক ব্যাংক যে ছয়টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে, সেগুলো হলো- এক্সেলেন্স ইন ভিসা ক্রস-বর্ডার ডেবিট, এক্সেলেন্স ইন প্রোডাক্ট ইনোভেশন-ক্রস-বর্ডার মেডিকেল ডেবিট কার্ড, এক্সেলেন্স ইন ভ্যালু প্রপোজিশন ইন অ্যান অ্যাফ্লুয়েন্ট কার্ড, এক্সেলেন্স ইন ভিসা ই-কমার্স বিজনেস (ইস্যুয়িং), এক্সেলেন্স ইন ভিসা পিওএস অ্যাক্যোয়ারিং বিজনেস, এক্সেলেন্স ইন ভিসা ই-কমার্স অ্যাক্যোয়ারিং বিজনেস।
এই ছয়টি পুরস্কার অর্জনের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক এবারের কনক্লেভে সর্বাধিক পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। এই অর্জন ডিজিটাল পেমেন্ট, উদ্ভাবন এবং ক্রস-বর্ডার লেনদেনে ব্যাংকটির সক্ষমতা ও নেতৃত্বের প্রতিফলন।
গত ৪ আগস্ট ঢাকার শেরাটনে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ. মনসুর, ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও (কারেন্ট চার্জ) তারেক রেফাত উল্লাহ খান এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম।
ভিসার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার সন্দীপ ঘোষ, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ এবং ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার হেড অব প্রোডাক্ট রামাকৃষ্ণন গোপালন।
ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশে কার্ড ইস্যু, ই-কমার্স ও অ্যাক্যোয়ারিং বিজনেসের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। ব্যাংকটির রয়েছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও ক্রমবর্ধমান গ্রাহকবেস।
ব্র্যাক ব্যাংকের এমন অর্জন নিয়ে ব্যাংকটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম বলেন, “ভিসার মতো স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক বছর ধরে এই ধারাবাহিক সম্মাননা আমাদের কার্ড ও অ্যাক্যোয়ারিং বিজনেসের শক্তিশালী অবস্থানের প্রমাণ। এমন অর্জন গ্রাহকদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী ফাইন্যান্সিয়াল সল্যুশনের ব্যাপারে আমাদের প্রতিশ্রুতিরও প্রতিফলন।”
তিনি আরো বলেন, “আমাদের ইউনিক কার্ড প্রপোজিশন ও বিস্তৃত অ্যাক্যোয়ারিং নেটওয়ার্ক গ্রাহক আস্থা অর্জনে ভূমিকা রেখেছে, যা মার্কেটে ব্র্যাক ব্যাংকের শাক্তিশালী অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। একটি গ্রাহককেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা সবসময় গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় ও উদ্ভাবনী আর্থিক সেবা দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের ওপর গ্রাহকদের অবিচল আস্থা ছিল দেখেই আমরা এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করতে পেরেছি। এ জন্য গ্রাহকদের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।”
মিডিয়া যোগাযোগঃ
মোহাম্মদ আব্দুর রহিম
ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি.
ই-মেইল:
[email protected]টেলিফোন: +88 01730704702
ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসিঃ
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের অর্থায়নে অগ্রাধিকার দেয়ার ভিশন নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি. ২০০১ সালে যাত্রা শুরু করে, যা এখন পর্যন্ত দেশের অন্যতম দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী একটি ব্যাংক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ‘BRACBANK’ প্রতীকে ব্যাংকটির শেয়ার লেনদেন হয়। ২৮৫টি শাখা ও উপশাখা, ৩৩০টি এটিএম, ৪৪৬টি এসএমই ইউনিট অফিস, ১,১২১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ৮ হাজারেরও বেশি মানুষের বিশাল কর্মীবাহিনী নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক কর্পোরেট ও রিটেইল সেগমেন্টেও সার্ভিস দিয়ে আসছে। ব্যাংকটি দৃঢ় ও শক্তিশালী আর্থিক পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে এখন সকল প্রধান প্রধান মাপকাঠিতেই ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষে অবস্থান করছে। আঠারো লাখেরও বেশি গ্রাহক নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক বিগত ২৩ বছরেই দেশের সবচেয়ে বৃহৎ জামানতবিহীন এসএমই অর্থায়নকারী ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও নিয়মানুবর্তিতায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।