প্রকাশ: বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫, ৯:২৪ পিএম

ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত আগেই হয়েছিল। আজকের ম্যাচটা ছিল মূলত মনস্তাত্ত্বিক লড়াই—ফাইনালের আগে কারা আত্মবিশ্বাসে এগিয়ে থাকবে। সেই জবাব দিয়ে দিল বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
হারারেতে অনুষ্ঠিত লিগপর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। এ নিয়ে চলতি সিরিজে তৃতীয়বার মুখোমুখি হয় দুই দল। আগের দুটি ম্যাচে একটি করে জয় ভাগাভাগি করেছিল তারা, এবার বাংলাদেশ এগিয়ে গেল ২-১ ব্যবধানে।
টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। শুরু থেকেই চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপ। চতুর্থ ওভারে ইকবাল হোসেন ফিরিয়ে দেন ওপেনার ফন শালকভিককে (৯ বলে ৫)। পঞ্চম ওভারে আল ফাহাদ বিদায় করেন আদনান লাগাডিয়েনকে। এরপর ষষ্ঠ ওভারে অধিনায়ক জেসন রোলেসকে ফিরিয়ে দিয়ে প্রোটিয়া ব্যাটিংয়ের কোমর ভেঙে দেন সানজিদ মজুমদার।
সানজিদ পরে আরও তিনটি উইকেট তুলে নেন, মোট ৮ ওভারে দেন মাত্র ৩৯ রান। ২টি করে উইকেট নেন আল ফাহাদ ও সামিউন বাসীর। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপের পক্ষে সবচেয়ে বড় জুটি ছিল বিহান প্রিটোরিয়াস ও পল জেমসের ৩২ রানের পার্টনারশিপ। শেষ দিকে বান্দিলে এমবাথা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ৫৯ বলে ৩৯ রান করেন। সবমিলিয়ে ১৪৭ রানেই গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করতে পারেনি বাংলাদেশের যুবারা। মাত্র ৬৮ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। হারের শঙ্কা জাগিয়ে দেয় সে সময়। তবে সেখান থেকেই ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও সামিউন বাসীর।
ষষ্ঠ উইকেটে এই দুজন গড়ে তোলেন ৮০ রানের অবিচ্ছেদ্য জুটি। আবদুল্লাহ ৪৭ বলে ২০ রান করে শান্তভাবে খেলেন, আর অপর প্রান্তে আগ্রাসী ছিলেন সামিউন। ৩৬ বলেই ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫২ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করে আসেন তিনি।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল তাদের পরবর্তী ম্যাচ খেলবে শুক্রবার, স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ফাইনালে আবারও প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা, ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১০ আগস্ট।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ