প্রকাশ: সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫, ১০:১২ পিএম আপডেট: ০৪.০৮.২০২৫ ১০:১৬ PM

হেনস্তাকারী ব্যক্তি
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ফেনী নদীতে হিংঙ্গুলী খালে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। এতে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমির পাশাপাশি হিংঙ্গুলী খালের উপর নবনির্মিত ১২০ ফুট এর একটি ব্রিজ বিলীন হওয়ার পথে। উপজেলার হিংঙ্গুলী ইউনিয়নের আজমনগর গ্রামের হিংঙ্গুলী খালের মুখে রাতে দিনে স্যালো মেশিন দিয়ে চলছে এ বালু উত্তোলন। চলতি বছর ফেনী নদীতে দেয়া হয়নি কোন ইজারা। তারপরও একটি রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়া থেকে চলছে বালু উত্তোলন। এদিকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ভিডিও ধারণ করতে গেলে স্বদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি জাবেদ হোসাইনকে হেনস্তা করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, তিন ফসিল এ জমিতে রয়েছে মরিচ, লাউ, বেগুনসহ অন্যান্য সবজির আবাদ। ইতোমধ্যে ১০ থেকে ১২ একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীতে বালু উত্তোলন করছে প্রভাবশালীরা, যেনো দেখার কেউ নেই।
ক্ষোভ প্রকাশ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলেকাবাসী বলেন, এ দেশে যেনো এখন প্রশাসন নেই, আগে খেয়ে গেছে একদল এখন নেমেছে আরেক দল।
স্থানীয় এক কৃষক বলেন আমরা আমাদের রিজিকের এক টুকরো জমি রক্ষা করতে পারছি না, অমানবিকতার একটা সীমা আছে। দিনে ফসলের কাজ করে বাড়িতে গেলে সকালে এসে দেখা যায় জমি নাই। বালু উত্তোলনকারী সবাই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন।
বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত লেবারদের সাথে কথা বললে তারা বলে রফিক ভূইয়ার সাথে কথা বলতে।
সাংবাদিক জাবেদ হোসাইন বলেন, মীরসরাই উপজেলার ২ নং হিঙ্গুলী ইউনিয়নের মধ্যম আজমনগর গ্রামের হিঙ্গুলী আজমনগর খাল থেকে অবাধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে একটি প্রভাবশালী মহল। অবৈধ বালু উত্তোলনের ভিডিও ধারণ করতে গেলে, বালু উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত ইউছুব নামে এক ব্যক্তি আমাকে বাধা দেয় এবং মোবাইল নিয়ে হাতাহাতি করে। তারা আরো বলে, আপনি এখানে ভিডিও করতে পারবেন না, আপনি কেন এসেছেন এখানে, এখন চলে যান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিবের রফিকুল আলম ভূইয়ার সাথে কথা বললে তিনি প্রতিবেদকের কাছে বিকাশ নাম্বার চেয়ে বসেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া আক্তার স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অতিশীঘ্রই অভিযান পরিচালনা করা হবে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর