প্রকাশ: সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৩৮ পিএম

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাঙ্গাশিয়া নেছারিয়া মাদ্রাসা থেকে হাজিরহাট বাজার পর্যন্ত এলজিইডি-নির্মিত সড়কটির বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে রাস্তার ইট-সুড়কি দেবে গিয়ে কোথাও উঠে গেছে, কোথাও গর্ত তৈরি হয়ে গেছে। ফলে সড়কটি যান চলাচলের একেবারে অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
বৃষ্টির কারণে এসব গর্তে পানি জমে কাদা হয়ে থাকায় প্রতিদিন মালবাহী ট্রাক, মিনিট্রাক, অটোভ্যান, টমটমসহ ছোটবড় যানবাহন আটকে পড়ছে। এতে পণ্য পরিবহন, জরুরি সেবা ও জনসাধারণের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ধোপারহাটের ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান বলেন, “বাজারে যাতায়াতের একমাত্র সড়কটির এ অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই। বৃষ্টির সময় আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে পাঠানোর মতো যানবাহনও মেলে না। অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে চায় না। বাধ্য হয়ে রিকশা বা পায়ে হেঁটে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না।”
রাজগঞ্জের বাসিন্দা মো. নানু মৃধা জানান, সড়কের ইট-খোয়া উঠে গিয়ে গর্ত হওয়ায় যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলতে পারছে না। ফলে হাটে আসা-যাওয়া, পণ্য পরিবহনসহ সবকিছুতে ভোগান্তির শেষ নেই।
পাঙ্গাশিয়া আল-মদীনা মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. দেলোয়ার হোসেন সাঈদী বলেন, “বৃষ্টির সময় শিক্ষার্থীদের কাদাপানিতে পড়ে বই-খাতা ভিজে যাচ্ছে। অনেক সময় পড়ে গিয়ে আহতও হচ্ছে। এই দুর্ভোগ প্রতিদিনের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।” তিনি দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান।
দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়কটি সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ