প্রকাশ: সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫, ১২:১২ পিএম

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন, সাংবাদিকদের ঘুষের প্রস্তাব এবং সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় একাধিক সাংবাদিক জানান, সরকারি এসএসসিপি প্রকল্পের অধীনে নির্মিত ১০টি ঘরের অর্থ আত্মসাৎ, নিম্নমানের ও মরা চারা বিতরণ, এবং কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২৫০ জন কৃষকের প্রদর্শনী সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে কৃষি কর্মকর্তা টালবাহানা শুরু করেন।
সূত্র জানায়, বিগত কয়েক সপ্তাহে সাংবাদিকরা মৌখিকভাবে তথ্য চাইলে তিনি কখনো সময়ের অজুহাত দেন, কখনো আবার ইউএনও’র অনুমতির কথা বলেন। পরে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে সাংবাদিকদের বিকাশ নাম্বার চান এবং অফিসে গেলে ‘খাম’ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে তথ্য গোপনের চেষ্টা করেন।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এক সাংবাদিক বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের করের টাকায় বেতন পান। তথ্য গোপন করার অধিকার তাদের নেই। সাংবাদিকরা যখন তথ্য চায়, তখন তাদের সহযোগিতা করার কথা। কিন্তু এখানে ঘটছে উল্টো চিত্র।’
উল্লেখ্য, গত ২২ জুলাই ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিম্নমানের ও মরা গাছের চারা বিতরণের অভিযোগ রয়েছে এবং গাছের চারা নিতে আসা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীগন গাছের চারা না নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলে তিনি বিতরণ কাযক্রম বন্ধ রাখতে বলেন।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, তারা সময়মতো প্রকল্প সম্পর্কে জানতে না পারায় সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হন। তারা দাবি করছেন, কৃষি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় যে কেউ তথ্য পাওয়ার অধিকার রাখে। কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য গোপন করেন, সেটি আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম