প্রকাশ: শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫, ১:৪৮ পিএম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বর্তমানে বৈষম্য সৃষ্টির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
শনিবার (২ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান লেখেন, “এই প্ল্যাটফর্মের নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল—এটা সত্য। কিন্তু গত এক বছরে যেভাবে সমন্বয়ক ও ছাত্র প্রতিনিধির পরিচয়ে চাঁদাবাজি, তদবির বাণিজ্য, প্রমোশন ও রদবদলের মতো অনৈতিক কাজ হয়েছে, তাতে এর বর্তমান অবস্থান অনেকটা ‘মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ’-এর মতোই হয়ে গেছে। এমন অপমৃত্যু কেউই আশা করেনি।”
তিনি আরও বলেন, “এই প্ল্যাটফর্মের পবিত্রতা রক্ষায় এর কার্যক্রম স্থায়ীভাবে স্থগিত রাখা উচিত। এটি সর্বজনীন একটি প্ল্যাটফর্ম ছিল, যেটি ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠতে পারত। কিন্তু আজ এটিকে বিতর্কিত করে তোলা হচ্ছে উদ্দেশ্যমূলকভাবে।”
রাশেদ খান সতর্ক করে বলেন, “এই প্ল্যাটফর্মকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা যদি রাজনীতিক, ছাত্রনেতা বা সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা প্রশ্রয় দেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক হবে। কারণ এতে মানুষের ক্ষোভ আওয়ামী লীগের প্রতি নয়, বরং এই প্ল্যাটফর্মের প্রতি জন্মাবে, যা ‘জুলাই অভ্যুত্থান’-এর আগ্রহও মলিন করে দেবে।”
পোস্টের শেষে তিনি বলেন, “গত এক বছরে যারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন হয়নি, স্টেকহোল্ডার হিসেবে গণ-অভ্যুত্থান থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে—এখন তাদের ডাকলে যদি সবাই ছুটে যান, তবে সেটি আত্মমর্যাদার পরিপন্থী। আত্মসম্মান রক্ষায় আমাদের সকলের চিন্তা করা উচিত।”
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ