প্রকাশ: শুক্রবার, ১ আগস্ট, ২০২৫, ৬:৪৩ পিএম আপডেট: ০১.০৮.২০২৫ ৭:৩০ PM

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বড়কালীপুরা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে আধিপত্য বিস্তার ও একটি অবৈধ বালু মহালের কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রনকে কেন্দ্র করে দুটি সন্ত্রাসী দলের মধ্যে সংঘর্ষে গত সোমবার আব্দুল মান্নান (৪৩) গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হয়। এ সময় হৃদয়বাঘসহ আরো কয়েকজন আহত হয়েছিল।
খুনের ঘটনার ৫ দিন অতিবাহিত হলেও কোন আসামি বা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পেশাদার সন্ত্রাসী শ্যুটার মান্নান হত্যাকাণ্ডের পরদিন, হোগলাকান্দী গ্রামের সাজেদুল হক ওরপে সন্ত্রাসী লালু বাহিনীর প্রধান লালুকে প্রধান আসামী করে নিহত মান্নানের স্ত্রী সুমি বাদী হয়ে ১৬ জনের নামে ও অজ্ঞাত ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে গজারিয়া থানায় মামলা (নং-২২ ) রুজু করেন।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে গজারিয়া থানার ওসি আনোয়ার আলম আজাদ জানান, গজারিয়া থানা এলাকার বড়কালীপুরা ও গুয়াগাছিয়া এলাকা স্হানীয় থানা ও কোস্টগার্ডের স্টেশন থেকে দুরবর্তী এলাকা হওয়ার নৌডাকাত চক্র ও সন্ত্রাসী দলের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। ওই এলাকায় অস্হায়ী একটি পুলিশ ক্যাম্প স্হাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গজারিয়া নৌ-পুলিশের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সুরজিত কুমার ঘোষ আজ শুক্রবার বলেন, গত সোমবার সকালে মেঘনা নদীর কালিপুরা সংলগ্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও অবৈধ বালু মহালের নিয়ন্ত্রণ নেয়াকে কেন্দ্র করে স্হানীয় দুটি সন্ত্রাসী দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় শ্যুটার মান্নান নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের ৫ দিনের ব্যবধানে আজ শুক্রবার মামলার বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা ও গজারিয়া নৌ-পুলিশের ইনচার্জ সুরজিত কুমার ঘোষ জানান, মামলার কোন আসামি গ্রেপ্তার হয়নি, উদ্ধার হয়নি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার মান্নানের সাথে একই নৌকায় আহত তার একাধিক সঙ্গীর কারো সাথেই যোগাযোগ স্হাপন করতে পারেননি বলেও জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ