
সংগৃহীত ছবি
সিডনিতে সাড়ে ৬ কোটি টাকার লেনদেন ও উপদেষ্টা মাহফুজের ভাইয়ের ব্যাংক একাউন্ট জব্দের ব্যাপারে:
১️. AUSTRAC-এর অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট ও মিডিয়া রিলিজ:
AUSTRAC (Australian Transaction Reports and Analysis Centre) হলো অস্ট্রেলিয়ার আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ, যারা মানি লন্ডারিং বা সন্ত্রাসে অর্থায়ন সম্পর্কিত কার্যক্রম তদারকি করে।
AUSTRAC-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.austrac.gov.au) বা তাদের মিডিয়া রিলিজ অংশে ২৪ জুলাই ২০২৫-এর তারিখে বা তার কাছাকাছি সময়ে এমন কোনো লেনদেনের তদন্ত, অ্যাকাউন্ট জব্দ, কিংবা “বাংলাদেশি শিক্ষার্থী” সংশ্লিষ্ট ঘটনার উল্লেখ নেই।
২️. Commonwealth Bank of Australia (CBA)
CBA সাধারণত এমন সংবেদনশীল অ্যাকাউন্ট জব্দের ঘটনায় নিজস্ব বা মিডিয়ার মাধ্যমে ন্যূনতম বিবৃতি প্রদান করে থাকে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট, মিডিয়া বিভাগ বা বিশ্বস্ত অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম (যেমন ABC News, The Guardian Australia, Sydney Morning Herald) — কোথাও এমন কোনো ঘটনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
৩️. বাংলাদেশি প্রবাসী কমিউনিটি ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার উৎস:
দাবিটি মূলত কয়েকটি ফেসবুক পেজ, সন্দেহজনক উৎস থেকে প্রচার পেয়েছে। যেগুলো পূর্বেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা ভিত্তিহীন গল্প ছড়ানোর ইতিহাস রাখে। তথ্যটির কোনো নিরপেক্ষ বা সংবাদমাধ্যম-ভিত্তিক ভ্যারিফিকেশন নেই।
৪. সাড়ে ৬ কোটি টাকার হিসাব বিশ্লেষণ:
বাংলাদেশি টাকায় “সাড়ে ৬ কোটি টাকা” মানে প্রায় ৯,০০,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার (AUD)। এই পরিমাণ অর্থ একজন শিক্ষার্থীর পার্সোনাল অ্যাকাউন্টে দীর্ঘদিন জমা হলে, সত্যি বলতে, এটি ব্যাংকের ও গোয়েন্দা সংস্থার নজরে আসা স্বাভাবিক – তবে এমন লেনদেন হলে এর প্রমাণও রাখার কথা, যা এখনো অনুপস্থিত।
এই দাবিটি চমকপ্রদ, নাটকীয় এবং উপদেষ্টা মাহফুজ ও বড় ভাই মাহবুব আলমকে মানহানি করে উপস্থাপিত হয়েছে। এতে কোনো বিশ্বাসযোগ্য উৎসের উল্লেখ নেই, বরং গুজব-নির্ভর তথ্যের ছাপ স্পষ্ট।
(লেখকের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত)