বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
   
শিরোনাম:
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু      পরিকল্পিতভাবে কাজ করলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান সম্ভব      যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব: সাচিং প্রু      সনদের পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন জরুরি: শ্রমমন্ত্রী      ৮ মাসে পেরিয়ে গেলেও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়া জায় নেই      বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ       একাদশের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন      ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের      শরণখোলায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ      রৌমারীতে উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর উদ্বোধন      কপোতাক্ষে মিলল ভ্যানচালক ইখলাসের মরদেহ      টাঙ্গাইল সেতুর প্রকৌশলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ      
শিশুর ট্রমা এবং বাবা মায়ের করণীয়
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫, ৭:৩৩ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ট্রমা শিশুর কোমল মনে এক কঠিন আঘাত। বাবা-মা সবসময় আমাদের সন্তান যেন সবসময় নিরাপদে, আনন্দে আর হাসিখুশিভাবে বেড়ে উঠুক। 

কিন্তু বাস্তব জীবন সব সময় আমাদের ইচ্ছেমতো চলে না। কখনও কখনও সন্তান এমন কিছু দেখে বা অনুভব করে, যা তার কোমল হৃদয়ে গভীর কষ্টের জন্ম দেয়। এই মানসিক কষ্টকেই বলা হয় ট্রমা বা মানসিক আঘাত।



ট্রমা কী কারণে হতে পারে?

শিশুরা অনেক ধরনের ঘটনার দ্বারা ট্রমাটাইজড হতে পারে, যেমন:

১. কেউ যদি তাকে কষ্ট দেয় বা অপমান করে
২. ⁠ভয়াবহ কোনো দুর্ঘটনা দেখা বা দুর্ঘটনার শিকার হওয়া
৩. ⁠প্রিয়জনের মৃত্যু বা পারিবারিক বিচ্ছেদ
৪. ⁠গৃহহীনতা বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা

এইসব ঘটনা শিশুর মনে এমন এক ভয় ঢুকিয়ে দেয়, যেন চারপাশের বিশ্বটাই তার কাছে অচেনা হয়ে যায়।


এই আঘাত শিশুদের মধ্যে কী প্রভাব ফেলে?

ট্রমার পরে শিশুর আচরণে নানা পরিবর্তন দেখা যায়, যেমন:

১. সবসময় আতঙ্কিত থাকা, সহজেই ভয় পাওয়া
২. ⁠মুড বদলে যাওয়া—কখনও রেগে যাওয়া, কখনও নিঃশব্দ হয়ে পড়া
৩. ⁠নিজের দোষ খোঁজা: “এসব আমার জন্যই হয়েছে”
৪. ⁠অনুভূতি লুকিয়ে রাখা, কারো সঙ্গে কিছু না বলা
৫. ⁠ঘুমের সমস্যা, দুঃস্বপ্ন দেখা, একই ঘটনার স্মৃতি বারবার ফিরে আসা
৬. ⁠আচরণগত পরিবর্তন: স্কুলে মনোযোগ কমে যাওয়া, বন্ধুদের এড়িয়ে চলা, চুপচাপ হয়ে যাওয়া

এমন সময় বাবা-মায়ের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

আপনার উপস্থিতি, ভালোবাসা আর মনোযোগ আপনার সন্তানের জন্য নিরাপত্তার আশ্রয় হয়ে উঠতে পারে। ধীরে ধীরে সে আবার তার আগের প্রাণবন্ততায় ফিরতে পারে।


বাবা-মা হিসেবে কী করতে পারেন আপনি?

১। সময় দিন

প্রতিদিন কিছুটা সময় সন্তানকে দিন। গল্প করুন, হাঁটুন, খেলুন বা একসঙ্গে রান্না করুন। এই মুহূর্তগুলো ওর মনকে শান্ত করে।

২। নরম ও সহানুভূতিশীল ভাষা ব্যবহার করুন

সন্তানের অনুভবগুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। ভুল করলে ধৈর্য ধরুন, ভালোভাবে বুঝিয়ে দিন। তার চেষ্টা ও অগ্রগতিকে উৎসাহিত করুন। বলুন, “আমি তোমার জন্য গর্বিত।”

৩। ভালোবাসা প্রকাশ করুন

একটা আলিঙ্গন, স্নেহের হাসি বা মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া—এসব ছোট ছোট স্পর্শ সন্তানের মনে নিরাপত্তা আনে।

৪। স্থির ও শান্ত রুটিন গড়ে তুলুন


ঘুমানোর আগে গল্প বলা, গান গাওয়া, বা আলিঙ্গন করে শুভরাত্রি বলা—এই ছোট্ট অভ্যাসগুলো শিশুর মনে সাহস যোগায়।


 ট্রমা কাটিয়ে ওঠা সময়সাপেক্ষ, তবে আপনার ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং উপস্থিতিই আপনার সন্তানের সবচেয়ে বড় শক্তি। আপনার সামান্য মনোযোগ, ধৈর্য আর স্নেহ আপনার সন্তানের জীবনে এক অপার আলো হয়ে উঠতে পারে।

সূত্র: কিডস হেলথ


স্বদেশ প্রতিদিন/এমএএম




আরও সংবাদ   বিষয়:  শিশুর ট্রমা   






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close