নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর সদর ইউনিয়নের যোগীবাড়ি গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে ভাবিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে দেবরের বিরুদ্ধে।
গতকাল শুক্রবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে লিটন হোসেনের স্ত্রী শাহনাজ পারভীন কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরে দেখতে পান তার দেবর একলাস হোসেন বাড়ির মাটির প্রাচীর ভেঙে ফেলেছেন। এ নিয়ে প্রশ্ন করলে একলাস উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ শুরু করেন এবং বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকেন।
এ সময় বাড়ির অন্য সদস্য আক্তারা বানু ও মঞ্জুয়ারা ঘটনাস্থলে শাহনাজকে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। এরপর শাহনাজ পারভীনের চিৎকারে এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার করে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
এ ঘটনায় আহত শাহনাজ পারভীন বুধবার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা যায়। অভিযোগে বলা হয়, “মারধরের পর অভিযুক্তরা তার ঘরে ঢুকে এক লক্ষ টাকা ও এক ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেয়।”
অভিযুক্ত একলাস হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. এনায়েতুর রহমান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্বদেশ প্রতিদিন/ আরএফ