প্রকাশ: রবিবার, ৬ জুলাই, ২০২৫, ৬:৪৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জানানো হয় আগত ও প্রস্থানের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং বিমানবন্দরটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
আজ রবিবার (৬ জুলাই) ভোরে আরবী ভাষী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, হামলার পর ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চলগুলো প্রায় পুরোপুরি আন্তর্জাতিক আকাশপথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ডেড সি অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলার সতর্ক সংকেত (সাইরেন) বাজতে শুরু করে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলার সময় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল এবং তারা হামলা প্রতিরোধে কাজ করেছে।
এর মাত্র এক সপ্তাহ আগে, ১ জুলাই, ইয়েমেনি সেনাবাহিনী বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের দিকে ‘ফিলিস্তিন-২’ নামের একটি হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দায় স্বীকার করে।
আল-মাসিরাহ টিভিতে সম্প্রচারিত এক বিবৃতিতে ইয়েমেনের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বলেন, “তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে আমরা ‘ফিলিস্তিন-২’ নামের একটি হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একটি বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছি।’’
তিনি আরো বলেন, “একই সময় ইলাত, তেল আবিব ও আশকেলনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একযোগে ড্রোন হামলা চালানো হয়।”
এছাড়াও গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনি বাহিনী সমুদ্রপথে কৌশলগত অবরোধ জারি করে। এতে ইসরায়েলে সামরিক রসদ পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হয়। যা বহির্বিশ্বকে গাজায় চলমান বিপর্যয়ের দিকে নজর দিতে বাধ্য করেছে।
এদিকে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েল তাদের স্থল ও বিমান হামলা পুরোপুরি বন্ধ না করা পর্যন্ত এই ধরনের হামলা অব্যাহত থাকবে।