প্রকাশ: শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫, ৫:৪২ পিএম

‘দ্য পারফরম্যান্স ইভ্যালুয়েশন অব কমিউনিটি ক্লিনিক সার্ভিসেস ইন বাংলাদেশ এন্ড ইকোনোমেট্রিক অ্যানালাইসিস’ শীর্ষক একটি পিএইচডি সেমিনার অনুষ্ঠিত।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অর্থনীতি বিভাগে ‘দ্য পারফরম্যান্স ইভ্যালুয়েশন অব কমিউনিটি ক্লিনিক সার্ভিসেস ইন বাংলাদেশ এন্ড ইকোনোমেট্রিক অ্যানালাইসিস’ শীর্ষক একটি পিএইচডি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (৫ জুলাই) সকাল ১১টায় অর্থনীতি বিভাগের সেমিনার কক্ষে এ পিএইচডি সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্করের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি। এতে আলোচক হিসেবে অংশ নেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল ওয়াদুদ এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া। সেমিনারে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অর্থনীতি বিভাগের পিএইচডি গবেষক নিলুফার ইয়াসমিন, যিনি ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন। গবেষণার তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিভাগের অধ্যাপক ড. দেবাশীশ শর্মা।
উপস্থাপিত গবেষণাপত্রে দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকসমূহের চিকিৎসাসেবার মান, কার্যকারিতা এবং সীমাবদ্ধতা বিশ্লেষণ করা হয়। গবেষণাটিতে মেহেরপুর ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে তথ্য সংগ্রহ করে চিকিৎসাসেবায় ক্লিনিকগুলোর অবদান এবং সেবাপ্রাপ্তদের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করা হয়। এতে উঠে আসে, মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ক্লিনিকগুলো যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, তেমনি কিছু ঘাটতিও বিদ্যমান রয়েছে, যেগুলো নিরসনে প্রয়োজন যথাযথ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন।
সেমিনারে অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মা বলেন, “দেশের প্রান্তিক জনগণের কাছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের কার্যকারিতা যাচাই করতে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে। আজকের সেমিনারে উঠে আসা নানা পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ গবেষণাকে আরো সমৃদ্ধ করতে সহায়ক হবে।”
তিনি আরো বলেন, “অনেক গুরুত্বপূর্ণ মতামত পাওয়া গিয়েছে, যা ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় যুক্ত হবে। এ সময় তিনি গবেষক নিলুফার ইয়াসমিনকে এমন একটি বাস্তবধর্মী ও সময়োপযোগী বিষয়ের ওপর গবেষণা পরিচালনার জন্য ধন্যবাদ জানান।”