স্বৈরাচারী সরকার দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করেছে: ড. এম এ কাইয়ুম

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. এম এ কাইয়ুম বলেছেন, বিগত অগণতান্ত্রিক সরকার দেশের অর্থ লোপাট করেছে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে। যার অন্যতম নির্বাচন কমিশন ও মিডিয়া। তারা কখনো প্রকৃত গণতন্ত্র চায়নি। জনগণ মনে করে ড. ইউনূস দেশবাসীর মনের প্রত্যাশা মোতাবেক ব্যবস্থা নেবেন।
তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবকে স্মরণীয় করে রাখতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আমাদের দাবি ও প্রত্যাশা খুব শিগগিরই শেখ হাসিনার বিচার কাজ দৃশ্যমান হবে। জনগণের ভোটে সরকার নির্বাচিত হবে। আমরা বিশ্বাস করি এই নির্বাচনে জনগণের দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয়লাভ করবে এবং জনগণের সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবে।
শনিবার রাজধানীর গুলশান-২ সেকশনে একটি অডিটরিয়ামে রামপুরা ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড.এম এ কাইয়ুম আরো বলেন, গত ১৭ বছর স্বৈরাচার শাসক শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের বাতি জ্বালিয়ে রেখেছিল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আর এ কারণে জুলাই-আগষ্টে ছাত্রজনতার আন্দোলন সহজ হয়েছে। ৫ আগষ্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছে। তাই আন্দোলনের বাতি জ্বালিয়ে রাখা বিএনপি জনগণের কাছে আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এম এ কাইয়ুম বলেন, ধৈর্যহারা হবেন না। সময় এসেছে, আপনাদের মূল্যায়ন করা হবে। তবে, নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরি করা যাবে না। কাদাছোঁড়াছুড়ি করা যাবে না। আন্দোলন সংগ্রামে যারা মাঠে ছিলেন, তাদের ত্যাগকে মুল্যায়ন করে পদায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে সিনিয়রদেরকেও যথাযথ পদে পদায়ন করা হবে।
আলহাজ্ব এম এ কাইয়ুম বলেন, কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে সব ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করা হবে। এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রস্তুত আছে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব এ জি এম শামছুল হক, যুবদলের আহ্বায়ক কামাল আহমেদ দুলু, রামপুরা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক- মোহাম্মদ আলম, যুবদলের সদস্য সচিব আসিফ সাত্তার শোভন, ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান ফয়সাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাকসুদুর রহমান নাহিদ, মহিলা দলের আহ্বায়ক- জাহানারা বেগম, সদস্য সচিব- বাবলী আক্তার, শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম সিরাজসহ ২৩ ও ৯৮ নং ওয়ার্ড অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
স্বদেশ প্রতিদিন/এনআর