প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫, ১:২১ পিএম

বাংলাদেশে ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা ১,৮৫০টি গুমের অভিযোগের মধ্যে ২৫৩টির অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। বাকি অভিযোগগুলোর তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সকালে রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কমিশনের সভাপতি বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবিরোধী অভিযানের নামে আড়াই শতাধিক গুম হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি ও ভিন্ন মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত দমননীতির অংশ হিসেবে গুমকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এছাড়া, ভারতে পাঠিয়ে দিয়ে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে গ্রেফতারও দেখানো হতো। মেধাবী শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন পেশার মানুষও তা থেকে রেহাই পায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশিদের গুমের সাথে অনেক ভারতীয়রা জড়িত। তবে বর্তমান সরকারের ভেতরে যারা গুমের সাথে জড়িত তাদেরকে শান্তির আওতায় আনা হবে।’
কমিশনে অন্য সদস্যরা বলেন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গুমের জন্যে সেনাবাহিনী অভিযুক্ত না। তবে যেসব কর্মকর্তা অন্যান্য বাহিনীতে ছিল তারা জড়িত ছিল। এখনও নিখোঁজ ১৩১ জনের তালিকা পুলিশ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তারা।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল যে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গুম একটি ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন। এবার তদন্ত কমিশনের এই বক্তব্য সেই অভিযোগের অনেকাংশেই সরকারি স্বীকৃতির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম