প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫, ৫:৪৪ পিএম আপডেট: ০৫.০৬.২০২৫ ৬:৩২ PM

পিক-আপ, পশুবাহী ট্রাক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন উপায়ে মানুষ ঘরে ফিরছেন
ঈদের বাকি আর একদিন। নাড়ীর টানে বাড়ি ফেরার আকুতি, ফিরতে হবে প্রিয়জনদের কাছে। তীব্র যানজট, অপ্রতুল যানবাহন আর বাড়তি ভাড়া গুণে মানুষ বাড়ি ফিরছেন। পিক-আপ,পশুবাহী ট্রাক, থ্রি হুইলার, ব্যক্তিগত পরিবহন, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন উপায়ে মানুষ ঘরে ফিরছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সারাদিন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। গণপরিবহনের সংকট ও বাড়তি ভাড়ায় বেড়েছে জীবনের ঝুঁকি।
সরেজমিনে দেখা যায়, অনেকেই যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছেন। যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও ট্রাক, পিক-আপ, বিভিন্ন সড়কের লোকাল বাস, লেগুনায় গন্তব্যে যাত্রা করেছেন অনেকে। মহাসড়কে বাসের চেয়ে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল বেশি দেখা গেছে। এদিকে গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকে ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক, পিক-আপ ও বাসের ছাদে করেই ফিরছেন বাড়ি।
উল্লেখ্য, অতিরিক্ত গাড়ির চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ঈদে ঘরমুখি মানুষ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকা পড়ে নাভিশ্বাস উঠেছে যাত্রী ও চালকদের।
খোলা ট্রাকে যাওয়া যাত্রী মনির খান বলেন, “বাস না পেয়ে ট্রাকেই বাড়িতে যাচ্ছি। আবার দুই একটি গাড়ি পেলেও দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।”
রংপুরের যাত্রী সানজিদা শারমিন বলেন, “বাস না পেয়ে ট্রাকে করে যাচ্ছি। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে পাররো এটাই বড় আনন্দ। অনেকেই বাস না পেয়ে ট্রাক ও পিকআপে করে যাচ্ছে। বাসে দ্বিগুণ ভাড়া চাচ্ছে। এজন্য ট্রাকে করে যাচ্ছি।”
যাত্রী জাহিদ হাসান বলেন, “ঈদ করতে নিজ বাড়ি রংপুর যাচ্ছি। বাস না পেয়েই ট্রাকে করে ঝুঁকি নিয়েই বাড়িতে যাচ্ছি৷ এতে ভাড়াও কম লাগছে। তবুও ভালো লাগছে, বাড়ি তো যাচ্ছি।”
স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস