প্রকাশ: বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫, ১:১৩ পিএম

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে দেশের মহাসড়কগুলোতে। এরই অংশ হিসেবে ঈদের ছুটি শুরুর আগের দিন থেকেই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দেখা দিয়েছে যানবাহনের চাপ।
মঙ্গলবার (৩ জুন) রাতভর চলেছে তীব্র যানজট। তবে বুধবার সকাল থেকে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে, কোথাও হালকা যানজট, আবার কোথাও চলছে ধীরগতির যান চলাচল।
বুধবার সকালে চট্টগ্রামগামী লেনে মুন্সিগঞ্জের ভবেরচর অংশে কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়। তা ছড়িয়ে পড়ে কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত। পরে পুলিশের তৎপরতায় যানজট স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। বুধবার ভোর ৪টায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা সেতু এলাকা থেকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। সকাল ৮টায় এই যানজট কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ২৯ কিলোমিটারে পৌঁছায়। এরপর থেকে ধীরে ধীরে যানজট কমতে থাকে। সকাল ১০টার দিকে মহাসড়কের ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার যানজট ছিল।
অপরদিকে, বুধবার সকাল থেকে মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে ধীর গতিতে গাড়ি চালাতে হচ্ছে চলকদের। ঈদ উপলক্ষ্যে মহাসড়কে গাড়ির চাপ বেড়েছে। তবে বেলা ১১ টা পর্যন্ত মহাসড়কে যানজন লক্ষ করা যায়নি।
কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় রাজেশ বড়ুয়া নামের এক যাত্রী বলেন, ‘ভোর ৫ টায় ঢাকা থেকে একটি যাত্রীবাহী বাসে উঠে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিই। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ মেঘনা সেতু এলাকায় পৌঁছার পর থেকেই যানজটে আটকা পড়ি। এতে এক ঘণ্টার পথ চার ঘণ্টায় অতিক্রম করতে হয়েছে। দাউদকান্দির পরে আর কোথাও যানজট পাইনি। তবে অনেক ধীরে চলেছে গাড়ি।’
অপরদিকে গাড়ির চাপ বৃদ্ধির প্রভাব গিয়ে পড়ছে টোলপ্লাজাগুলোতে। টোলপ্লাজা এলাকায় কিছুটা যানজট লক্ষ্য করা গেছে।
হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, ‘মহাসড়কের কুমিল্লা অংশ যানজটমুক্ত রাখতে হাইওয়ে পুলিশ, থানা পুলিশ, শিল্প পুলিশসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।’
স্বদেশ প্রতিদিন/এমএম