প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫, ৬:০৪ পিএম

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে হামলার শিকার হয়েছেন যশোর কোতয়ালী থানার তিন পুলিশ সদস্য। সোমবার সন্ধ্যার দিকে কালীগঞ্জের বাকুলিয়া গ্রামে ১৪ বছরের ওই কিশোরীকে উদ্ধার করতে এসে তারা এ হামলার শিকার হন। আহতরা হলেন, যশোর কোতোয়ালি থানার এএসআই তাপস কুমার পাল,কনেস্টবল রাবেয়া খাতুন ও ফারজানা খাতুন।
স্থানীয়রা বলছেন, সম্প্রতি বাকুলিয়া গ্রামের ইমাদুল ইসলামের ভায়রার ছেলে সুজন হোসেন যশোর থেকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক মেয়েকে নিয়ে এসে পরিবারের অমতে বিয়ে করে। এ ঘটনায় মেয়ের পরিবার যশোর কোতয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে যশোর থানার পুলিশ সোমবার দুপুরের পর কালীগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগীতায় বাকুলিয়া গ্রামের ইমাদুলের বাড়িতে গিয়ে ভিকটিম মেয়েটিকে উদ্ধারে ওই গ্রামে যায়। উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় স্থানীয় কয়েকজন নারী-পুরুষ পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে ভিকিটিম মেয়েকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ সদস্যদের মার ঠেকাতে গিয়ে আহত হন কালীগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আছাদুজ্জামান আসাদের স্ত্রী মাছুরা খাতুন।
খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি ঘটনাস্থলে পৌছে আহত পুলিশ সদস্য ও ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন এবং আহত পুলিশ সদস্যদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আহত কনেস্টবল রাবেয়া খাতুন জানান, আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় ৬ থেকে ৭ জন পুরুষ এসে আমাকে বলে হাত ছেড়ে দাও। হাত না ছাড়াই আমার এবং আমার সাথে থাকা নারী কনেস্টবলের উপর বেধড়ক হামলা শুরু করে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম হাওলাদার জানান, যশোর কোতয়ালী থানার পুলিশ কালীগঞ্জ থানার সহযোগীতায় বাকুলিয়া গ্রামের অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোরিকে উদ্ধারে গেলে হামলার শিকার হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে যশোর পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/আইএমএস